অডিও প্লেয়ার
0:00 0:00
Advertisement

শত্রু কমানোর নিয়ম 😡

১) কথা কম বলুন।কারণ কথায় আছে- বোবার কোন শত্রু নেই।
২) যেখানে-সেখানে যার-তার সাথে তর্ক বিতর্কে জড়িত হবেন না।
৩) কারো কথার ভিতরে না বুঝেই বাম হাত ঢুকাবেন না।
৪) যে বই পড়ে তার কোন শত্রু নেই।কাজেই বই পড়ুন।
৫) কারো সাথে দাম্ভিকতাপূর্ণ ও অহংকারমুলক কথাবার্তা বলা পরিহার করুন।
৬) কাউকে কখনো ভুলেও ব্যক্তিগত আক্রমণ করবেন না।
৭) কাউকে হেয় প্রতিপন্ন করে কথা বলা যাবে না।
৮) কারো প্রিয়জন অথবা কারো প্রিয় জিনিস নিয়ে কটুক্তি করা যাবে না ও ছিনিমিনি খেলা যাবে না।
৯) কখনো কখনো শত্রুকে 'হ্যাঁ' বলুন;কিন্তু বন্ধুকে 'না' বলুন।
১০) কারো সাথে বিরোধ জিইয়ে না রেখে,বরং তার সাথে বন্ধুত্বের অভিনয় করে যান।

একটা কথা আছে বন্ধুকে কাছে রাখুন;কিন্তু শত্রুকে আরো বেশি কাছে রাখুন।
তর্কের খাতিরে হোক,গুরুত্বের খাতিরে হোক, টেকনিক্যাল কারণেই হোক,অথবা যে কোন কারনেই হোক,শত্রুকে বেশি বেশি ভালোবাসতে হয়।
শত্রুর সাথে চোখাচোখি করুন।
মাঝে মাঝে শত্রুর সাথে ইচ্ছাকৃতভাবে দুর্বল হয়ে যান।

ভালো লাগলে সাপোর্ট দিয়ে পাশে থাকবেন 🤭🤭

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download

নিজেকে স্মার্ট করার ১১ কৌশল

১) নিজের প্রতি আরো বেশি যত্নশীল হোন।
২) অন্যের ব্যাপারে নাক গলাবেন না।
৩) কারো ব্যাপারে অতি উৎসাহ বর্জন করুন।
৪) কাউকে ইচ্ছাকৃতভাবে প্রশংসা করার কোন প্রয়োজন নেই।
৫) যার তার সাথে সম্পর্ক স্থাপনে বিরত থাকুন।
৬) নিজেকে ব্যস্ত রাখুন।
৭) কারো কাছে নিজেকে সস্তা করবেন না।
৮) কাউকে অকারণে ফোন দেয়া কিংবা টেক্সট করবেন না।
৯) সামাজিক মাধ্যমে নিজেকে বেশি বেশি তুলে ধরা থেকে বিরত রাখুন।
১০) নিজের সম্পর্কে যত কম প্রকাশ করতে পারবেন রহস্য ততই বাড়বে।
১১) মুখে সর্বদা প্রবল হাসিখুশি একটা ভাব রাখা

আর্টিকেলটি ভালো লাগলে সাপোর্ট দিয়ে পাশে থাকবেন 🤭🤭
ধন্যবাদ

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download

শুধু IQ বেশি হলে বিপদে পড়বেন.!⚠️

আমরা ছোটবেলা থেকেই এরকম অনেককেই দেখেছি —
যাদের দেখামাত্রই সবাই বলে, “সে খুব বুদ্ধিমান! এই ছেলে/মেয়ে একদিন বড় কিছু করবে!”
এবং এর বিপরীতে একদল মানুষ থাকে, যাদের দেখামাত্রই  সবাই ভাবে, “এর দ্বারা কোনো কাজ হবে না!”

তবে আপনি নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন, বাস্তবে অনেক সময় উল্টোটা ঘটে।
যাকে আমরা ‘জিনিয়াস’ ভাবি, সে মাঝপথে থেমে যায়,
আর যাকে ‘সাধারণ’ ভাবি, সে একদিন সবার উপরে উঠে যায়।

আসলে IQ (বুদ্ধিমত্তা) খারাপ কিছু না —
এটা শেখার, বোঝার, আর চিন্তা করার ক্ষমতা।
কিন্তু শুধু IQ থাকলেই চলবে না।
EQ (নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা),
SQ (সম্পর্ক তৈরি ও টিমওয়ার্কের দক্ষতা),
আর AQ (কঠিন সময়ে লড়ে যাওয়ার মানসিকতা) —
এই তিনটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

অনেক সময় দেখা যায়,
যাদের IQ একটু কম, কিন্তু EQ–SQ–AQ বেশি —
তারাই বাস্তব জীবনে বেশি সফল হয়।

উদাহরণ হিসেবে মনে করুন,
একটা কোম্পানিতে অনেক কর্মচারীর IQ বেশি,
কিন্তু মালিকের EQ ও AQ বেশি বলেই
সে সবাইকে নেতৃত্ব দেয়।

তাই আমি বলি —
IQ থাকা অবশ্যই দরকার,
কিন্তু সাথে EQ–SQ–AQ না থাকলে সেই জ্ঞান কাজে লাগে না।
তাছাড়া যাদের IQ খুব বেশি, তারা অনেক ক্ষেত্রে কিছুটা অহংকারী হয়ে পড়ে,
যার ফলে সবাই এসব মানুষ থেকে দূরে সরে যায়,
তারা সব পরিবেশে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারে না।

আমাদের বাবা-মায়েরা,
আপনার সন্তানের শুধু রেজাল্ট বা মুখস্থ বিদ্যা নিয়ে ব্যস্ত থাকবেন না।
তাকে শেখান — কিভাবে মানুষের সাথে কথা বলতে হয়,
কিভাবে নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে হয়,
কিভাবে পরিশ্রম করতে হয়,
আর কিভাবে ব্যর্থতার পরও হাল না ছাড়তে হয়।

তাকে খেলাধুলা, শিল্প, ও সমাজের কাজে যুক্ত করুন —
যেন সে শুধু বইয়ের ভেতর নয়,
জীবনের ভেতর থেকেও শিখতে পারে। ❤️

একজন দায়িত্বশীল মানুষ,একজন দায়িত্বশীল নাগরিক,  একজন সফল লিডার, হতে হলে EQ–SQ–AQ এর কোন বিকল্প নেই। 

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download

🎉 ৫টা সায়েন্টিফিক ও ইসলামিক টিপস সবার কাছে প্রিয় হওয়ার 🎉

তুমি কি কখনও খেয়াল করেছো — কিছু মানুষ যেখানেই যায়, সবাই তাদের ভালোবাসে, সম্মান দেয়, কথা শুনতে চায়?
তারা হয়তো খুব ধনী না, খুব সুন্দরও না, কিন্তু তাদের ভেতর একরকম চুম্বকীয় আকর্ষণ (magnetic personality) কাজ করে 😌

তারা এমন কিছু গুণ ধারণ করে যা মানুষকে টানে —
👉 বিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান, ইসলাম ও জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা — সব মিলিয়ে নিচে সেই ৫টা টিপস জানো, যা সত্যিই তোমাকে সবার কাছে প্রিয় করে তুলবে 💖

😊 1.নাম ধরে ডাকো — নামের মধ্যে আছে যাদু

Prophet Muhammad (ﷺ) মানুষকে নাম ধরে ডাকতেন।
একটা নাম শুধু পরিচয় নয়, এটা একধরনের ভালোবাসা ও সম্মানের প্রকাশ।
👉 গবেষণায় দেখা গেছে, নিজের নাম শুনলে মানুষের মস্তিষ্কে positive chemical dopamine রিলিজ হয়।

তাই, নাম ভুলে যেও না —
নাম ধরে ডাকা মানে কাউকে “seen” করে ফেলা নয়, বরং “valued” করে ফেলা 🌸

💬 2. মানুষকে মন থেকে শুনো (Active Listening)

বেশিরভাগ মানুষ “শোনে উত্তর দেওয়ার জন্য”, বোঝার জন্য না।
কিন্তু তুমি যদি মন থেকে শোনো, মানুষ অনুভব করে —
“এই মানুষটা আমাকে বোঝে!” ❤️

মনোবিজ্ঞানে একে বলে Validation Effect —
যে জায়গায় মানুষ বোঝা বোধ করে, সে জায়গাতেই সে নিরাপদ অনুভব করে।
তাই কম বলো, বেশি শোনো।
শোনা মানে কেবল কানে শোনা নয়, হৃদয়ে বোঝা।

🤝 3. সবার সাথে সম্মান দেখাও, ছোট-বড় ভেদ না করে

প্রাচীন দার্শনিক Aristotle বলেছিলেন —

“Respect is earned by giving it first.”

ইসলামও বলে —

“যে ছোটদের প্রতি দয়া করে না, আর বড়দের সম্মান করে না, সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।” (হাদিস - তিরমিজি)

রিকশাওয়ালা থেকে শুরু করে CEO পর্যন্ত —
যে মানুষ সবার প্রতি একই সম্মান রাখে,
সেই মানুষ সমাজে সত্যিকারের বড় হয়ে ওঠে 


🌸 ৪. হাসিখুশি থাকো — Smile is a social glue

গবেষণায় দেখা গেছে, হাসি হলো সামাজিক গ্লু (social glue) —
এটা অপরিচিত মানুষকেও তোমার প্রতি নিরাপত্তাবোধ তৈরি করে।
একটা সহজ হাসি, এক কাপ কফির থেকেও বেশি প্রভাব ফেলতে পারে 

💖 ৫. অন্যের ভালো চাও — নিঃস্বার্থভাবে

মানুষকে ভালোবাসো, কিন্তু বিনিময়ে কিছু আশা করো না।
তুমি যদি সত্যিই অন্যের ভালো চাও,
মানুষ সেটা বুঝে ফেলে 
কারণ ভালোবাসা অভিনয় করে দেখানো যায় না, সেটা অনুভব করানো যায়।

ইসলাম বলে —

“তোমার ভাইয়ের জন্য সেই জিনিস ভালোবাসো, যা তুমি নিজের জন্য ভালোবাসো।” (সহিহ হাদিস)

এই mindset রাখলে তুমি শুধু প্রিয় না,
বিশ্বস্ত ও অনুপ্রেরণাদায়ক মানুষ হিসেবেও পরিচিত হবে 

 

তুমি যদি মানুষকে সত্যিকারের ভালোবাসা, সম্মান আর হাসি উপহার দিতে পারো 
তবে একদিন তোমার উপস্থিতিই মানুষের জন্য শান্তির কারণ হবে ❤️


জীবনের বাস্তবতা, মনোবিজ্ঞান ও আধ্যাত্মিকতা মিশিয়ে শেখা – নতুনভাবে বাঁচার অনুপ্রেরণা।

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download

তুমি যাকে ভালোবাসো, সে-ই হয়তো তোমাকে ব্যবহার করছে 💔

ভালোবাসা— এই শব্দটা যত সুন্দর, এর খেলার নিয়মটা তত জটিল।

কখনও তুমি কাউকে এতটাই ভালোবাসো যে নিজের সীমার বাইরে গিয়ে সব দিয়ে দাও। অথচ একদিন বুঝতে পারো — সে তোমাকে ভালোবাসে না, বরং ব্যবহার করছিলো। 😔

এটাই ডার্ক সাইকোলজির সবচেয়ে বেদনাদায়ক রূপ — Emotional Exploitation.

তারা তোমার মমতা, ত্যাগ, আর ভালোবাসাকে “tool” বানায়। যেন তোমার আবেগই তাদের হাতের অস্ত্র।

🩸 ১. তারা তোমাকে অপরাধবোধে রাখে
তারা তোমাকে এমনভাবে অনুভব করায় — “তুমি যথেষ্ট করছো না।” অথচ তুমি সবই করছো!

🎭 ২. তারা ভালোবাসাকে চুক্তি বানায়
তারা “ভালোবাসো” বলে শুরু করে, কিন্তু শেষে “প্রমাণ দাও” বলে ফাঁদে ফেলে।

🧠 ৩. তারা তোমার মন পড়তে শেখে
তোমার ভয়, দুর্বলতা, আর স্বপ্নগুলো জেনে নেয় — তারপর সেগুলোই তোমার বিরুদ্ধে ব্যবহার করে।

💬 ৪. তারা চলে গেলে তুমি ভেঙে পড়ো
কারণ তুমি ভালোবেসেছিলে সত্যি মন থেকে, আর তারা খেলেছিলে হিসাব করে।

ইসলাম শেখায় —
“যে মানুষ প্রতারণা করে, সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।” (সহিহ মুসলিম)

তাই নিজেকে ভালোবাসো — অতিরিক্ত নয়, সচেতনভাবে। 💫

কারণ, সত্যিকারের ভালোবাসা কখনও কাউকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায় না,
চায় শুধু শান্তি আর সততা। 🌿

যদি কেউ তোমাকে ভালোবেসে “ব্যবহার” করতে শুরু করে — জেনে রেখো, সে তোমার যোগ্য নয়।

নিজের ভালোবাসার শক্তিকে সংরক্ষণ করো — কারণ এই শক্তিই একদিন তোমাকে আবার গড়ে তুলবে। ❤️‍🔥

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download

নিজেকে শক্তিশালী করার ১০ টি নিয়ম

1. আপনার কাছে যত বেশি তথ্য থাকবে আপনি তত বেশি শক্তিশালী।


2. আপনার কাছে যত বেশি অন্যের গোপন ইনফর্মেশন থাকবে আপনি তত বেশি শক্তিশালী।


3. পৃথিবীর একটি অন্যতম শক্তিশালী দিক হচ্ছে মানুষকে কনভিন্স করা।মানুষকে কনভিন্স করতে পারার মতো শক্তি পৃথিবীতে খুবই বিরল।


4. অন্যের মন জয় করা- একটি অন্যতম বিরল প্রকৃতির শক্তি।কাজেই অন্যের মন জয় করার শক্তি অর্জন করুন।


5. আত্মনির্ভরশীল হওয়া- নিজেকে সবল এবং শক্তিশালী করার জন্য খুবই প্রয়োজন।


6. সামাজিক নেটওয়ার্কিং এবং সাংগঠনিক দক্ষতা এক্ষেত্রে খুবই প্রয়োজন।


7. নিজেকে অত্যন্ত সবল এবং শক্তিশালী করতে হলে আপনাকে একজন সুবক্তা হতে হবে।একজন দক্ষ বক্তা যে কোন পরিস্থিতি বদলে দিতে পারে।


8. নিজের শক্তিশালী এবং দুর্বল দিক সম্পর্কে একটি পূর্ণাঙ্গ ধারণা থাকতে হবে।


9. নিজেকে জানুন। আপনি যা চিন্তা করবেন মনে মনে তাই হয়ে উঠবেন, নিজের সম্পর্কে ভালো ধারণা করুন। 


10. নিজের সম্পর্কে যত কম প্রকাশ করবেন,ততই নিজেকে শক্তিশালী এবং সবল হিসেবে উপস্থাপন করতে পারবেন।


লেখাগুলো ভালো লাগলে সাপোর্ট দিয়ে পাশে থাকবেন 🤭🤭

 

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download

Fake হাসির পেছনের মানসিক দানব 😬

তুমি কি কখনও লক্ষ্য করেছো — কেউ হাসছে, কিন্তু সেই হাসির পেছনে একটা অদ্ভুত শূন্যতা লুকানো থাকে?

হ্যাঁ, এটাই সেই Fake Smile — যেখানে ঠোঁট হাসে, কিন্তু চোখ নিঃশব্দে কাঁদে। 😶‍🌫️

মানুষের মস্তিষ্ক এমনভাবে কাজ করে যে, যখন তুমি সত্যিকারের দুঃখ লুকাও, শরীর তখনও সত্যটা জানায়। মনোবিজ্ঞান বলে — এই ভুয়া হাসির পেছনে কাজ করে এক অদৃশ্য মানসিক দানব।

💀 ১. Masking Mechanism
মানুষ যখন নিজের কষ্ট প্রকাশ করতে পারে না, তখন হাসিকে ঢাল বানায়। সমাজের বিচার, প্রত্যাখ্যান বা দুর্বল দেখানোর ভয় — তাকে মিথ্যা হাসি পরতে বাধ্য করে।

🎭 ২. Psychological Exhaustion
যারা সব সময় হাসতে বাধ্য হয়, তারা ধীরে ধীরে ভিতর থেকে ফাঁপা হয়ে যায়। তাদের হাসি শুধু অন্যদের স্বস্তি দেয়, নিজের নয়।

🧠 ৩. Emotional Suppression
প্রতিদিন নিজের আবেগ চেপে রাখলে মন ধীরে ধীরে ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তখন ভেতরের কষ্ট একসময় রাগ, সন্দেহ বা বিষণ্নতায় পরিণত হয়।

📖 ইসলাম বলেছে — “অবশ্যই অন্তরেই রয়েছে শান্তি ও অশান্তির মূল।” (সূরা আশ-শামস)

সুতরাং, যারা সব সময় “ঠিক আছি” বলে হাসে, তাদের অনেক সময় ভিতরে একটা যুদ্ধ চলে।

🤍 কখনও কখনও একটিমাত্র প্রশ্ন — “তুমি সত্যিই কেমন আছো?” — কারও ভিতরের দানবটাকে দুর্বল করে দিতে পারে।

মিথ্যা হাসির আড়াল ভেদ করে দেখতে শেখো। কারণ অনেক সময় সবচেয়ে কষ্টের মানুষটাই সবচেয়ে জোরে হাসে। 💔

Fake হাসির পেছনে যে দানবটা আছে, সে হলো ভয় — মানুষ নিজের সত্যকে লুকাতে চায়। কিন্তু মুক্তি শুরু হয় তখনই, যখন তুমি মুখোশ খুলে নিজের কষ্টকে মেনে নিতে শেখো। 🌿

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download

কেন মানুষ সহজ জিনিস জটিল করে ফেলে?

একবার এক বেদুইন রাস্তার পাশে বসে পানি খাচ্ছিল।
একজন শহুরে লোক এসে বলল,
“ভাই, তুমি পানি খাও, কিন্তু জানো কি পানির রাসায়নিক গঠন H₂O?”

বেদুইন হেসে বলল,
“আমি শুধু জানি, এটা পিপাসা মেটায়।” 😌

উপরের ঘটনায় আপনি কি বুঝলেন? 

মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, আমাদের মস্তিষ্কের এক ধরনের প্রবণতা আছে —
Complexity Bias —
মানে আমরা বিশ্বাস করতে কষ্ট পাই,
যে সহজ কিছু সত্যিই কাজ করতে পারে!

যখন সমাধানটা খুব সহজ লাগে,
আমাদের মস্তিষ্ক বলে,
“না না, এত সহজে কিছু ঠিক হতে পারে না!”
তখন আমরা নিজেরাই বিষয়টাকে কঠিন করে ফেলি।

এভাবেই সহজ কাজ গুলো কঠিন মনে হতে থাকে।

 ইতিহাসও তাই বলে

রোমান দার্শনিক সেনেকা বলেছিলেন,

> “Life is very simple, but we insist on making it complicated.”

 

অর্থাৎ, জীবন আসলে খুবই সহজ,
কিন্তু মানুষ জেদ করে সেটাকে কঠিন বানায়।

সক্রেটিস বলেছিলেন,

> “সত্য কখনো জটিল নয়,
মানুষই সেটাকে ঘোলাটে করে ফেলে।”

 

আর ইসলাম?
ইসলামে তো এই কথাই হাজার বছর আগে বলা হয়েছে —

> “আল্লাহ তোমাদের জন্য ধর্মকে সহজ করে দিয়েছেন।” (সূরা আল-হজ্জ, ৭৮)
“সহজ করো, জটিল করো না।” (সহিহ বুখারি)

 

তবুও আমরা নামাজকে রীতিতে,
ভালোবাসাকে যুক্তিতে,
আর সুখকে প্রমাণে জটিল করে ফেলেছি।


এখন গবেষণার দিকে তাকাও

Stanford University-এর এক গবেষণায় দেখা গেছে,
মানুষ যত বেশি শিক্ষিত হয়,
তত বেশি সে “overthinking” করে।
কারণ তারা শেখে বিশ্লেষণ করতে,
কিন্তু ভুলে যায় — সব বিশ্লেষণ করার দরকার নেই।

কখনও কখনও,
জীবনের উত্তর একটা নিঃশ্বাসের মতোই সহজ।


ইসলামী দার্শনিক ইমাম আল-গাজ্জালী (রহ.) বলেছেন,

> “জ্ঞান তখনই উপকারী,
যখন তা হৃদয়ে শান্তি আনে।”

 

অর্থাৎ, যদি জ্ঞান তোমাকে বিভ্রান্ত করে,
তবে সেটা সত্যিকারের জ্ঞান নয় —
ওটা জটিলতার জাল।

রাসুল ﷺ-এর জীবন দেখো —
তিনি সবচেয়ে সহজ মানুষ ছিলেন,
কিন্তু তাঁর সরলতা থেকেই
বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিপ্লব এসেছে।


তাহলে আমরা কেন জটিল করি?

জীবন একটা নদীর মতো।
তুমি যদি জলের স্রোতে ভাসতে শেখো,
তাহলে পথ নিজেই তোমাকে গন্তব্যে নিয়ে যাবে।
কিন্তু তুমি যদি বারবার হিসাব করতে চাও —
“পানি কত দ্রুত যাচ্ছে?”,
“কোণ কত ডিগ্রি বাঁক নিচ্ছে?”
তাহলে তুমি কখনও ভাসতে পারবে না।


> “জীবন জটিল নয়,
আমরা নিজেরাই তার ওপর জটিলতা ছিটিয়ে দিই —
বুদ্ধিমত্তার নামে।”

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download

তুমি অনেক দামি 🫵

একটা সাধারণ লোহার বার —

কাঁচামাল হিসেবে যার দাম মাত্র ১০০ ডলার।

যদি এটাকে ঘোড়ার খুর বানানো হয়, দাম বেড়ে দাঁড়ায় ২৫০ ডলার।

🪡 সেলাইয়ের সূঁচ বানালে তার মূল্য হয় ৭০,০০০ ডলার।

⌚ ঘড়ির স্প্রিং বানালে মূল্য পৌঁছায় ৬ মিলিয়ন ডলার।

আর যদি একই লোহা ব্যবহার হয় লেজার প্রযুক্তির চিপ তৈরিতে, তখন দাম হয় ১৫ মিলিয়ন ডলার!

দেখলেন তো?

মূল্য নির্ভর করে কী দিয়ে তৈরি, সেটার উপর নয় —

বরং নিজেকে কীভাবে গড়ে তুলছো তার উপর।

একই উপাদান, ভিন্ন পরিশ্রম, ভিন্ন মূল্য।

জীবনেও তাই —

যদি নিজেকে শাণিত করো, জ্ঞান, দক্ষতা আর অভিজ্ঞতা দিয়ে নিজেকে গড়ে তোলো,

তাহলেই তোমার "মূল্য" বহুগুণ বেড়ে যাবে।

নিজের ভেতরের লোহাকে সোনায় রূপান্তর করুন, নিজের মুল্য নিজেকেই ঠিক করতে হবে,

পোস্ট ভালো লাগলে লাইক করুন- কমেন্টে জানান আপনার মতামত☺️☺️

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download

আমরা কারো কাছে ডালভাত, আবার কারো কাছে কাচ্চি

কিছু মানুষ তোমার মূল্য বুঝবে না,
তাদের কাছে তুমি শুধু “ডালভাত”— সহজ, সাধারণ, গুরুত্বহীন। 🍛

আর কিছু মানুষ তোমাকে দেখবে “কাচ্চি বিরিয়ানি”-র মতো —
যার স্বাদ, গভীরতা, আর মান আলাদা! 🍖✨

তাই সবার কাছে নিজের দাম বোঝাতে যেও না,
যে বুঝবে — সে চুপ করেও তোমার মূল্য বুঝে নেবে। 💎

নিজের দাম নিজে জানো, কারণ সবার চোখ তোমার মতো পরিষ্কার না। 💭

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download
Advertisement