অডিও প্লেয়ার
0:00 0:00
Advertisement

শুধু IQ বেশি হলে বিপদে পড়বেন.!⚠️

আমরা ছোটবেলা থেকেই এরকম অনেককেই দেখেছি —
যাদের দেখামাত্রই সবাই বলে, “সে খুব বুদ্ধিমান! এই ছেলে/মেয়ে একদিন বড় কিছু করবে!”
এবং এর বিপরীতে একদল মানুষ থাকে, যাদের দেখামাত্রই  সবাই ভাবে, “এর দ্বারা কোনো কাজ হবে না!”

তবে আপনি নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন, বাস্তবে অনেক সময় উল্টোটা ঘটে।
যাকে আমরা ‘জিনিয়াস’ ভাবি, সে মাঝপথে থেমে যায়,
আর যাকে ‘সাধারণ’ ভাবি, সে একদিন সবার উপরে উঠে যায়।

আসলে IQ (বুদ্ধিমত্তা) খারাপ কিছু না —
এটা শেখার, বোঝার, আর চিন্তা করার ক্ষমতা।
কিন্তু শুধু IQ থাকলেই চলবে না।
EQ (নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা),
SQ (সম্পর্ক তৈরি ও টিমওয়ার্কের দক্ষতা),
আর AQ (কঠিন সময়ে লড়ে যাওয়ার মানসিকতা) —
এই তিনটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

অনেক সময় দেখা যায়,
যাদের IQ একটু কম, কিন্তু EQ–SQ–AQ বেশি —
তারাই বাস্তব জীবনে বেশি সফল হয়।

উদাহরণ হিসেবে মনে করুন,
একটা কোম্পানিতে অনেক কর্মচারীর IQ বেশি,
কিন্তু মালিকের EQ ও AQ বেশি বলেই
সে সবাইকে নেতৃত্ব দেয়।

তাই আমি বলি —
IQ থাকা অবশ্যই দরকার,
কিন্তু সাথে EQ–SQ–AQ না থাকলে সেই জ্ঞান কাজে লাগে না।
তাছাড়া যাদের IQ খুব বেশি, তারা অনেক ক্ষেত্রে কিছুটা অহংকারী হয়ে পড়ে,
যার ফলে সবাই এসব মানুষ থেকে দূরে সরে যায়,
তারা সব পরিবেশে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারে না।

আমাদের বাবা-মায়েরা,
আপনার সন্তানের শুধু রেজাল্ট বা মুখস্থ বিদ্যা নিয়ে ব্যস্ত থাকবেন না।
তাকে শেখান — কিভাবে মানুষের সাথে কথা বলতে হয়,
কিভাবে নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে হয়,
কিভাবে পরিশ্রম করতে হয়,
আর কিভাবে ব্যর্থতার পরও হাল না ছাড়তে হয়।

তাকে খেলাধুলা, শিল্প, ও সমাজের কাজে যুক্ত করুন —
যেন সে শুধু বইয়ের ভেতর নয়,
জীবনের ভেতর থেকেও শিখতে পারে। ❤️

একজন দায়িত্বশীল মানুষ,একজন দায়িত্বশীল নাগরিক,  একজন সফল লিডার, হতে হলে EQ–SQ–AQ এর কোন বিকল্প নেই। 

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download

আত্মসম্মান মানুষের চরিত্রের মেরুদণ্ড।

এটি সেই নীরব শক্তি, যা মানুষকে সৎ, দৃঢ় ও মর্যাদাবান করে তোলে। আত্মসম্মান হারিয়ে ফেললে ব্যক্তি তার মূল্যবোধ, চিন্তা ও ব্যক্তিত্ব—সবই হারায়। সমাজে টিকে থাকতে, নিজের সিদ্ধান্তে স্থির থাকতে এবং অন্যের সম্মান অর্জন করতে হলে প্রথমে নিজেকে সম্মান করতে জানতে হয়। আত্মসম্মান রক্ষা মানে নিজের প্রতি দায়িত্বশীল থাকা, নিজের নীতি ও মর্যাদার সীমা না ভোলা। নিচে নিজের মতো করে আত্মসম্মান রক্ষা বা বাড়ানোর ১৫টি কার্যকর উপায় তুলে ধরলাম...

১. নিজের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হোন :
নিজেকে ছোট মনে করবেন না। আপনি যেমন, তেমনভাবেই নিজেকে গ্রহণ করুন। নিজের গুণ ও সীমাবদ্ধতা—দুটোকেই সম্মান দিন।

২. ‘না’ বলতে শিখুন :
সবকিছুতেই সম্মতি দেওয়া আত্মসম্মানের ক্ষতি করে। অন্যায় বা অপমানজনক প্রস্তাবের সামনে দৃঢ়ভাবে ‘না’ বলতে পারা আত্মসম্মানের অন্যতম রূপ।

৩. নিজের মতামতকে গুরুত্ব দিন :
অন্যরা কী ভাবছে তা ভেবে নিজের মতকে চাপা দেবেন না। আত্মসম্মান রক্ষার প্রথম শর্ত হলো নিজের চিন্তার প্রতি আস্থা রাখা।

৪. অন্যের কাছে নিজেকে প্রমাণ করতে যাবেন না :
নিজেকে সবসময় সঠিক প্রমাণ করতে গিয়ে ক্লান্ত হবেন না। যারা সত্যিকার অর্থে আপনাকে বোঝে, তাদের কাছে প্রমাণের প্রয়োজন পড়ে না।

৫. নিজের ভুল স্বীকার করুন :
ভুল করলে তা স্বীকার করা দুর্বলতা নয়, বরং আত্মসম্মানের প্রতীক। নিজের ভুল জানা মানুষই সত্যিকার সম্মান পায়।

৬. অপমানকে কখনো সহ্য করবেন না :
যেখানে আপনাকে অবমাননা করা হয়, সেখান থেকে দূরে সরে আসুন। অপমানের সাথে আপস করা মানে নিজের মর্যাদা হারানো।

৭. আত্মবিশ্বাসী থাকুন :
আত্মসম্মান আসে আত্মবিশ্বাস থেকে। নিজের সিদ্ধান্ত ও কাজের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস রাখুন, তাহলেই আপনি সম্মান রক্ষা করতে পারবেন।

৮. অন্যকে সম্মান দিন :
অন্যকে অসম্মান করে কেউ নিজের মর্যাদা বাড়াতে পারে না। সম্মান পেতে হলে আগে দিতে জানতে হয়।

৯. নিজের সীমারেখা নির্ধারণ করুন :
মানুষকে কতটা কাছে টানবেন বা দূরে রাখবেন, সেটি আপনিই ঠিক করুন। এই সীমারেখাই আত্মসম্মানের রক্ষাকবচ।

১০. কারও উপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হবেন না :
অতিরিক্ত নির্ভরতা আত্মসম্মানকে দুর্বল করে। নিজে নিজের কাজ করার চেষ্টা করুন, আত্মনির্ভর হোন।

১১. সত্য কথা বলুন, মিথ্যার আশ্রয় নেবেন না :
মিথ্যা একদিন প্রকাশ পায়, আর তখন আত্মসম্মান ভেঙে পড়ে। সত্যকে আঁকড়ে ধরা মানুষই মর্যাদা ধরে রাখতে পারে।

১২. অন্যের সঙ্গে তুলনা করবেন না :
নিজেকে অন্যের সঙ্গে তুলনা করা আত্মসম্মান নষ্ট করে। আপনি অনন্য—এই বিশ্বাসটিই আপনাকে শক্ত রাখবে।

১৩. লোভ ও প্রতারণা থেকে দূরে থাকুন :
লোভ মানুষকে নিচে নামায়। সততা আত্মসম্মানের সবচেয়ে বড় ভিত্তি। তাই প্রলোভনে নয়, ন্যায়ের পথে চলুন।

১৪. নিজের আবেগের নিয়ন্ত্রণ রাখুন :
অতিরিক্ত রাগ, হিংসা বা হীনমন্যতা আত্মসম্মান ক্ষয় করে। সংযমী মনই আত্মসম্মানকে টিকিয়ে রাখে।

১৫. নিজের উন্নতির জন্য চেষ্টা করুন :
আত্মসম্মান মানে স্থবির থাকা নয়। প্রতিনিয়ত শেখা, বেড়ে ওঠা, নিজের যোগ্যতা বাড়ানোই আত্মসম্মানের প্রকৃত বিকাশ।

আত্মসম্মান কোনো বাহ্যিক বস্তু নয়, এটি এক অভ্যন্তরীণ শক্তি—যা মানুষকে মাথা উঁচু করে বাঁচতে শেখায়। অর্থ, খ্যাতি বা সৌন্দর্যের চেয়ে আত্মসম্মান অনেক মূল্যবান। যে ব্যক্তি নিজের মর্যাদা বোঝে, সে কখনো অন্যের দ্বারা অপমানিত হয় না। তাই সমাজে সম্মান পেতে হলে আগে নিজের আত্মসম্মান রক্ষা করতে শিখতে হবে—কারণ যে নিজেকে সম্মান করতে জানে, পৃথিবীও তাকে সম্মান দিতে বাধ্য হয়।

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)

Fake হাসির পেছনের মানসিক দানব 😬

তুমি কি কখনও লক্ষ্য করেছো — কেউ হাসছে, কিন্তু সেই হাসির পেছনে একটা অদ্ভুত শূন্যতা লুকানো থাকে?

হ্যাঁ, এটাই সেই Fake Smile — যেখানে ঠোঁট হাসে, কিন্তু চোখ নিঃশব্দে কাঁদে। 😶‍🌫️

মানুষের মস্তিষ্ক এমনভাবে কাজ করে যে, যখন তুমি সত্যিকারের দুঃখ লুকাও, শরীর তখনও সত্যটা জানায়। মনোবিজ্ঞান বলে — এই ভুয়া হাসির পেছনে কাজ করে এক অদৃশ্য মানসিক দানব।

💀 ১. Masking Mechanism
মানুষ যখন নিজের কষ্ট প্রকাশ করতে পারে না, তখন হাসিকে ঢাল বানায়। সমাজের বিচার, প্রত্যাখ্যান বা দুর্বল দেখানোর ভয় — তাকে মিথ্যা হাসি পরতে বাধ্য করে।

🎭 ২. Psychological Exhaustion
যারা সব সময় হাসতে বাধ্য হয়, তারা ধীরে ধীরে ভিতর থেকে ফাঁপা হয়ে যায়। তাদের হাসি শুধু অন্যদের স্বস্তি দেয়, নিজের নয়।

🧠 ৩. Emotional Suppression
প্রতিদিন নিজের আবেগ চেপে রাখলে মন ধীরে ধীরে ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তখন ভেতরের কষ্ট একসময় রাগ, সন্দেহ বা বিষণ্নতায় পরিণত হয়।

📖 ইসলাম বলেছে — “অবশ্যই অন্তরেই রয়েছে শান্তি ও অশান্তির মূল।” (সূরা আশ-শামস)

সুতরাং, যারা সব সময় “ঠিক আছি” বলে হাসে, তাদের অনেক সময় ভিতরে একটা যুদ্ধ চলে।

🤍 কখনও কখনও একটিমাত্র প্রশ্ন — “তুমি সত্যিই কেমন আছো?” — কারও ভিতরের দানবটাকে দুর্বল করে দিতে পারে।

মিথ্যা হাসির আড়াল ভেদ করে দেখতে শেখো। কারণ অনেক সময় সবচেয়ে কষ্টের মানুষটাই সবচেয়ে জোরে হাসে। 💔

Fake হাসির পেছনে যে দানবটা আছে, সে হলো ভয় — মানুষ নিজের সত্যকে লুকাতে চায়। কিন্তু মুক্তি শুরু হয় তখনই, যখন তুমি মুখোশ খুলে নিজের কষ্টকে মেনে নিতে শেখো। 🌿

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download

মিষ্টি কথা — সবচেয়ে বিপজ্জনক মানসিক অস্ত্র 🎭

মিষ্টি কথা—এটা শুনতে সুন্দর, কিন্তু অনেক সময় তা হতে পারে  ফাঁদ।

মানুষ কখনোই সরাসরি আক্রমণ করে না; তারা মিষ্টি কথার আড়ালে তোমাকে নিয়ন্ত্রণ করে। #darkpsychology #manipulation

🎭 ১. Compliment Trap
তারা অতিরঞ্জিত প্রশংসা দেয় — যাতে তুমি তাদের কাছে কৃতজ্ঞতা অনুভব করে ফেলো। একবার কৃতজ্ঞতা জড়ালে, তারা ছোট ছোট চাহিদা চাপিয়ে দিতে শুরু করে।

🧠 ২. Gradual Commitment
মিষ্টি কথার পরে ছোট অনুরোধ — আর ছোট অনুরোধগুলো এক সময় বড় দখলে পরিণত হয়। তুমি টেরও পাবে না কখন তোমার স্বাধীনতা ধীরে ধীরে কমছে।

💬 ৩. Emotional Currency
মিষ্টি কথা হলো এক প্রকার মানসিক মুদ্রা; তারা সেটা ব্যবহার করে তোমার সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলে। তুমি তাদের সাথে লেনদেন করবে — আর তারা লাভবান হবে।

📉 ৪. Isolation Tactic
মিষ্টি কথার পেছনে অনেক সময় আছে subtle ইঙ্গিত — “তারাই তোমাকে বুঝবে, বাকিরা বুঝবে না” — এটিই ধাপে ধাপে তোমাকে আলাদা করে ফেলে দেয়।

ইসলাম শেখায় সতর্ক থাকতে — ভাষা সুন্দর হলেও নিকট চিন্তা যাচাই করতে শেখো। কুরআনে এবং হাদিসে সততা ও ন্যায়ের গুরুত্ব বারবার বলা হয়েছে।

🔎 নিজের প্রতি জিজ্ঞাসা করো — “এই প্রশংসা কি প্রকৃত, নাকি কোনো স্বার্থের অংশ?” যদি একটু সন্দেহ থেকে যায়, দ্রুত নিজেকে রক্ষা করো।

শেষে বলি — মিষ্টি কথা বিষ নয়, কিন্তু বোঝাপড়া ছাড়া মিষ্টি কথা মানে অনেক সময় নিজের ক্ষতি। নিজের মূল্য রাখো, নিজের ইমোশনকে #selfrespect দিয়ে রক্ষা করো।

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download

🎉 ৫টা সায়েন্টিফিক ও ইসলামিক টিপস সবার কাছে প্রিয় হওয়ার 🎉

তুমি কি কখনও খেয়াল করেছো — কিছু মানুষ যেখানেই যায়, সবাই তাদের ভালোবাসে, সম্মান দেয়, কথা শুনতে চায়?
তারা হয়তো খুব ধনী না, খুব সুন্দরও না, কিন্তু তাদের ভেতর একরকম চুম্বকীয় আকর্ষণ (magnetic personality) কাজ করে 😌

তারা এমন কিছু গুণ ধারণ করে যা মানুষকে টানে —
👉 বিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান, ইসলাম ও জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা — সব মিলিয়ে নিচে সেই ৫টা টিপস জানো, যা সত্যিই তোমাকে সবার কাছে প্রিয় করে তুলবে 💖

😊 1.নাম ধরে ডাকো — নামের মধ্যে আছে যাদু

Prophet Muhammad (ﷺ) মানুষকে নাম ধরে ডাকতেন।
একটা নাম শুধু পরিচয় নয়, এটা একধরনের ভালোবাসা ও সম্মানের প্রকাশ।
👉 গবেষণায় দেখা গেছে, নিজের নাম শুনলে মানুষের মস্তিষ্কে positive chemical dopamine রিলিজ হয়।

তাই, নাম ভুলে যেও না —
নাম ধরে ডাকা মানে কাউকে “seen” করে ফেলা নয়, বরং “valued” করে ফেলা 🌸

💬 2. মানুষকে মন থেকে শুনো (Active Listening)

বেশিরভাগ মানুষ “শোনে উত্তর দেওয়ার জন্য”, বোঝার জন্য না।
কিন্তু তুমি যদি মন থেকে শোনো, মানুষ অনুভব করে —
“এই মানুষটা আমাকে বোঝে!” ❤️

মনোবিজ্ঞানে একে বলে Validation Effect —
যে জায়গায় মানুষ বোঝা বোধ করে, সে জায়গাতেই সে নিরাপদ অনুভব করে।
তাই কম বলো, বেশি শোনো।
শোনা মানে কেবল কানে শোনা নয়, হৃদয়ে বোঝা।

🤝 3. সবার সাথে সম্মান দেখাও, ছোট-বড় ভেদ না করে

প্রাচীন দার্শনিক Aristotle বলেছিলেন —

“Respect is earned by giving it first.”

ইসলামও বলে —

“যে ছোটদের প্রতি দয়া করে না, আর বড়দের সম্মান করে না, সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।” (হাদিস - তিরমিজি)

রিকশাওয়ালা থেকে শুরু করে CEO পর্যন্ত —
যে মানুষ সবার প্রতি একই সম্মান রাখে,
সেই মানুষ সমাজে সত্যিকারের বড় হয়ে ওঠে 


🌸 ৪. হাসিখুশি থাকো — Smile is a social glue

গবেষণায় দেখা গেছে, হাসি হলো সামাজিক গ্লু (social glue) —
এটা অপরিচিত মানুষকেও তোমার প্রতি নিরাপত্তাবোধ তৈরি করে।
একটা সহজ হাসি, এক কাপ কফির থেকেও বেশি প্রভাব ফেলতে পারে 

💖 ৫. অন্যের ভালো চাও — নিঃস্বার্থভাবে

মানুষকে ভালোবাসো, কিন্তু বিনিময়ে কিছু আশা করো না।
তুমি যদি সত্যিই অন্যের ভালো চাও,
মানুষ সেটা বুঝে ফেলে 
কারণ ভালোবাসা অভিনয় করে দেখানো যায় না, সেটা অনুভব করানো যায়।

ইসলাম বলে —

“তোমার ভাইয়ের জন্য সেই জিনিস ভালোবাসো, যা তুমি নিজের জন্য ভালোবাসো।” (সহিহ হাদিস)

এই mindset রাখলে তুমি শুধু প্রিয় না,
বিশ্বস্ত ও অনুপ্রেরণাদায়ক মানুষ হিসেবেও পরিচিত হবে 

 

তুমি যদি মানুষকে সত্যিকারের ভালোবাসা, সম্মান আর হাসি উপহার দিতে পারো 
তবে একদিন তোমার উপস্থিতিই মানুষের জন্য শান্তির কারণ হবে ❤️


জীবনের বাস্তবতা, মনোবিজ্ঞান ও আধ্যাত্মিকতা মিশিয়ে শেখা – নতুনভাবে বাঁচার অনুপ্রেরণা।

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download

আমরা কারো কাছে ডালভাত, আবার কারো কাছে কাচ্চি

কিছু মানুষ তোমার মূল্য বুঝবে না,
তাদের কাছে তুমি শুধু “ডালভাত”— সহজ, সাধারণ, গুরুত্বহীন। 🍛

আর কিছু মানুষ তোমাকে দেখবে “কাচ্চি বিরিয়ানি”-র মতো —
যার স্বাদ, গভীরতা, আর মান আলাদা! 🍖✨

তাই সবার কাছে নিজের দাম বোঝাতে যেও না,
যে বুঝবে — সে চুপ করেও তোমার মূল্য বুঝে নেবে। 💎

নিজের দাম নিজে জানো, কারণ সবার চোখ তোমার মতো পরিষ্কার না। 💭

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download

Knowledge Is Power💥

ক্ষমতা অর্জন করতে হলে নলেজ বাড়ান,
বই পড়ার কথা বলছিনা — বাস্তব জ্ঞান বাড়ান।

সাধারণ মানুষ যা জানে না, যা খোঁজ রাখে না,
আপনাকে সেই সব বিষয়ে জানতে হবে।
আপনি যাদের লিড করতে চান,
তাদের থেকে বেশি জানতে হবে —
কারণ যতক্ষণ পর্যন্ত আপনি বেশি জানবেন না,
ততক্ষণ কেউ না কেউ আপনার ওপর কথা বলবেই।

আপনি যদি এমন একজন মানুষ হতে চান
যার কথা সবাই শোনে,
তাহলে আপনাকে এমন কিছু জানতে হবে
যা অন্যরা জানে না।
এই জ্ঞানই হবে আপনার অস্ত্র 🔥
এই জ্ঞানই হবে আপনার পরিচয় 💪

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download

জীবন যেদিন থেমে যাবে

একদিন জীবন ঘড়িটা হঠাৎ থেমে যাবে। চোখ দুটো হয়ে যাবে স্থির। বুক হবে নিঃশ্বাসহীন। সেদিন শত তাওবা করেও লাভ হবে না। রহমানের কাছে ক্ষমা চাওয়ার দরজা সেদিন করে দেওয়া হবে বন্ধ। কারও অনুশোচনা সেদিন কাজে আসবে না। সেদিন আফসোস করে বলবে— “আহ! যদি আরেকটু সময় পেতাম! যদি সুযোগ থাকত চোখ ভিজিয়ে বলার, ''ইয়া আল্লাহ! ক্ষমা করে দিন।" তাই এখনই ফিরে আসার সময় রবের দিকে। এখনই সময় তাওবা করে নিজেকে শুধরে নেওয়ার। এখনই নিজেকে সঁপে দিতে হবে রবের কাছে। আল্লাহ এখনো ডাকছেন— “হে আমার বান্দা! ফিরে এসো। আমি ক্ষমা করতে ভালোবাসি।” আজ চোখে পানি ফেলো, কাল হয়তো চোখই থাকবে না। আজই হৃদয়ে আগুন লাগাও, যেন কাল জাহান্নামের আগুন না লাগে।

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download

দুই মাতাল

"দুটো পাগল মেন্টাল হাসপাতাল থেকে পালানোর প্ল্যান করলো"

 

১ম পাগলঃ আমরা সকাল সকাল মেইন গেটে গিয়ে পাহারাদার কে খুব করে মারবো, তারপর গেট খুলে পালিয়ে যাবো।

 

২য় পাগলঃ হ্যাঁ, এটাই ঠিক হবে।

 

পরেরদিন পাগল দুটো তাদের প্ল্যান মতো মেইন গেটে উপস্থিত হলো, কিন্তু গেটে কোনো পাহারাদার ছিল না, আর গেটও খোলা ছিল। পাহারাদার কে সেখানে দেখতে না পেয়ে নিরাশ হয়ে,

 

১ম পাগল বললঃ ইসসসসসস..... আমাদের প্ল্যানটাই ভেস্তে গেল। শালা পাহারাদারটা কোথায় মরতে গেছে কে জানে !!! আজ ও থাকলে আমরা পালিয়ে যেতে পারতাম..।

 

২য় পাগলঃ হুমমমমম.মেইনগেটও বন্ধ নেই যে, খুলে পালিয়ে যাবো। আজ ফিরে যাই চল, অন্যদিন আবার ট্রাই করবো।

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download

কেউ অপমান করলে কী করবেন.? ইসলাম কি বলে!

একবার মাওলানা জালালউদ্দিন রুমি (রহঃ) বলেছিলেন—

“তুমি যদি প্রতিটি ঘেউ ঘেউ করা কুকুরের দিকে পাথর ছুঁড়তে থাকো,
তবে কখনো গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবে না।” 


অর্থাৎ, যাকে অপমান করা হচ্ছে, সে যদি তার প্রতিক্রিয়ায় মগ্ন হয়,
তবে সে তার লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হবে।
তাই রুমি বলেন, নিজেকে উঁচু রাখো,
যেখানে অপমান পৌঁছাতে পারবে না। 


অপমানের প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে প্রতিফলন দাও!
যে মানুষ তোমাকে ছোট করার চেষ্টা করছে,
সে আসলে নিজের ভেতরের হীনমন্যতা লুকাতে চায়।

বিখ্যাত দার্শনিক এপিকটিটাস (Epictetus) বলেছেন —

 “It’s not what happens to you,
but how you react to it that matters.”


অর্থাৎ, অপমান তোমার নিয়ন্ত্রণে না,
কিন্তু প্রতিক্রিয়া পুরোপুরি তোমার হাতে।


 একটু ভাবো...
যদি কেউ তোমাকে অপমান করে,
তুমি যদি চুপ থাকো — তাহলে তার মাথা খারাপ হয়ে যায় ,
কারণ সে চেয়েছিল তোমাকে রাগাতে তোমার প্রতিক্রিয়া দেখতে।
আর তুমি যখন হাসি দিয়ে পাশ কাটিয়ে যাও,
তুমি তখন প্রমাণ করো —
তুমি তার চেয়ে বড়, শক্তিশালী, আর পরিপক্ক।


রুমি আবার বলেছেন —

 “Silence is the language of God,
all else is poor translation.” 


অর্থাৎ, নীরবতা অনেক সময় এমন উত্তর দেয়,
যা হাজার কথার চেয়ে গভীর ও সম্মানজনক।


আমি যেটা করে থাকি এবং আমার মতামত হলো:
অপমানের জবাব দেওয়ার দরকার নেই।
অপমানকে অতিক্রম করো।
যখন তুমি নিজের মূল্য নিজেই জানো,
তখন কেউ তোমাকে ছোট করতে পারবে না।

আমাদের মনে রাখা উচিত - 
অপমান কেবল তাদের হাতিয়ার,
যাদের যুক্তি ফুরিয়ে গেছে,
আর সম্মান হারিয়ে গেছে নিজ চোখে।

তুমি তোমার স্থিরতা, জ্ঞান, ও নীরবতায়
তাদের থেকেও অনেক উপরে ❤️

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download
Advertisement