অডিও প্লেয়ার
0:00 0:00
Advertisement

মানুষ কিভাবে তোমার মন নিয়ন্ত্রণ করে — তুমি টেরও পাও না 😨

তুমি কি জানো — মানুষ তোমার মনকে এমনভাবে প্রভাবিত করে, যে তুমি বুঝতেই পারো না তুমি নিয়ন্ত্রিত হচ্ছো? 😶‍🌫️

এইটাই হলো Dark Psychology — যেখানে মানুষ শব্দ, দৃষ্টি, ও আচরণের মাধ্যমে অন্যের চিন্তা ও সিদ্ধান্তকে ঘুরিয়ে দেয়।

🎭 ১. Emotion Hijacking
তারা তোমার আবেগের ওপর আঘাত করে।
তোমার ভয়, ভালোবাসা, অপরাধবোধ — এসব ব্যবহার করে তোমাকে নির্ভরশীল করে তোলে।

📞 ২. Guilt Programming
তারা এমনভাবে কথা বলে, যাতে তুমি নিজেকে দোষী মনে করো, এমনকি যখন ভুলটা তাদেরই হয়।

🪞 ৩. Mirroring Effect
তারা তোমার মতো আচরণ করে, যেন মনে হয় — “এই মানুষটা আমাকে বুঝে!”
আসলে এটা একধরনের মানসিক ফাঁদ, যা তোমার বিশ্বাস অর্জনের জন্য ব্যবহার হয়।

🧠 ৪. Information Control
তারা তোমার কাছে তথ্য গোপন রাখে বা এমনভাবে উপস্থাপন করে যেন তুমি তাদের নির্ভর করে চিন্তা করো।

💬 ৫. Silent Manipulation
সবচেয়ে ভয়ংকর নিয়ন্ত্রণ হয় চুপ থেকে। তারা তোমার মধ্যে guilt, confusion, ও insecurity তৈরি করে, অথচ মুখে কিছু বলে না।

রাসূল ﷺ বলেছেন —
“যে মানুষকে প্রতারণা করে, সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।” (সহিহ মুসলিম)

ইসলাম মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করতে নয়, বরং বুঝতে শেখায় — যেন তুমি নিজেকে বাঁচাতে পারো।

কারণ, তুমি যত নিজের মনকে জানবে, অন্য কেউ তত কম তোমাকে চালাতে পারবে। 🧩

নিজেকে বোঝো, পর্যবেক্ষণ করো, আর কখনও কাউকে তোমার চিন্তার রিমোট কন্ট্রোল দিও না। 🎮

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download

তুমি যতটা ভাবো ততটা নির্দোষ নও — মনস্তত্ত্বের নির্মম সত্য ⚡

আমরা সবাই ভাবি — “আমি তো ভালো মানুষ”, “আমি কাউকে কষ্ট দিই না।”

কিন্তু #darkpsychology বলে — মানুষ কখনও পুরোপুরি নির্দোষ নয়। আমাদের প্রতিটি সিদ্ধান্ত, প্রতিটি হাসি, এমনকি নীরবতাও কোনো না কোনো উদ্দেশ্যের সাথে জড়িত।

🧠 ১. Hidden Intentions
মনোবিজ্ঞান বলে, মানুষ অবচেতনভাবে এমন কাজ করে যেটা তার স্বার্থ রক্ষা করে। কেউ সাহায্য করে ভালো লাগার জন্য, কেউ করে নিজের অবস্থান শক্ত করতে।

😶‍🌫️ ২. Selective Morality
আমরা যে নীতির কথা বলি, সেটাও অনেক সময় নিজের সুবিধা অনুযায়ী বদলে ফেলি। যেমন, যখন অন্য কেউ ভুল করে — আমরা বিচার করি। কিন্তু নিজের ভুলে যুক্তি খুঁজি।

💭 ৩. Self-Image Trap
আমরা নিজের সম্পর্কে একধরনের কাল্পনিক ভালো ইমেজ ধরে রাখি। কারণ সেই ভেতরের দানবটাকে স্বীকার করা কষ্টকর।

কিন্তু সত্য হলো — ভালো মানুষও কখনও খারাপ হয়, আর খারাপ মানুষও ভালো হতে পারে।

📖 কুরআনে বলা হয়েছে — “মানুষ নিজেকে সর্বদা যথার্থ মনে করে, অথচ তার ভেতরেই আছে সীমালঙ্ঘন।” (সূরা আল-আলাক)

তাই নিজেকে সৎভাবে দেখা শুরু করো। নিজের ভেতরের অন্ধকারকে অস্বীকার করো না — বরং চিনে নাও, সেটাই হবে তোমার শক্তি।

#selfawareness #psychology #mindcontrol #islamic

কারণ, যে নিজের ছায়াকে চিনে, সে-ই আলোকে ধরতে পারে। 🌑🌕

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download

Knowledge Is Power💥

ক্ষমতা অর্জন করতে হলে নলেজ বাড়ান,
বই পড়ার কথা বলছিনা — বাস্তব জ্ঞান বাড়ান।

সাধারণ মানুষ যা জানে না, যা খোঁজ রাখে না,
আপনাকে সেই সব বিষয়ে জানতে হবে।
আপনি যাদের লিড করতে চান,
তাদের থেকে বেশি জানতে হবে —
কারণ যতক্ষণ পর্যন্ত আপনি বেশি জানবেন না,
ততক্ষণ কেউ না কেউ আপনার ওপর কথা বলবেই।

আপনি যদি এমন একজন মানুষ হতে চান
যার কথা সবাই শোনে,
তাহলে আপনাকে এমন কিছু জানতে হবে
যা অন্যরা জানে না।
এই জ্ঞানই হবে আপনার অস্ত্র 🔥
এই জ্ঞানই হবে আপনার পরিচয় 💪

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download

পুরুষের ব্যক্তিত্ব কেমন হওয়া উচিত? 💥

পুরুষ মানে শুধু দেহের শক্তি না,
আসল পুরুষ সেই —
যে নিজের মন, রাগ, আর দায়িত্ব নিয়ন্ত্রণ করতে পারে 💪

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন —
“সবচেয়ে শক্তিশালী সে নয়, যে কুস্তিতে জিতে;
বরং সে-ই শক্তিশালী, যে রাগের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।”
(সহিহ বুখারি)

একজন পুরুষের ব্যক্তিত্ব হলো —
শক্তি নয়, শান্তি বজায় রাখার ক্ষমতা।
দেখানোর নয়, নিজেকে ধরে রাখার শক্তি।
সবাইকে ভয় দেখানোর নয়,
নিজের ভয়কে জয় করার সামর্থ্য। ⚡

সত্যিকারের পুরুষ নিজের কথা রাখে,
বিশ্বাস ভাঙে না, মুখোশ পরে না।
সে দায়িত্ব নিতে জানে,
নিজের পরিবার, সমাজ, ও নিজেকে সম্মান দেয়।

আর সে কখনো নিজের মর্যাদা কমায় না —
ভালোবাসার নামেও না। ❤️

পুরুষের আসল শক্তি তার কণ্ঠে নয়,
বরং তার নীরবতায়।
যে পুরুষ নিজের আবেগকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে,
ভুল করলে ক্ষমা চাইতে জানে,
অন্যকে অপমান না করেও নিজের অবস্থান জানাতে পারে —
সে-ই প্রকৃত পুরুষ 💯

আজ থেকে আমরা “শক্তিশালী” নয়,
“পরিণত” পুরুষ হওয়ার চেষ্টা করি 🌿

কারণ —
এখন সময় শুধু বল দেখানোর নয়,
চরিত্র দেখানোর।

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download

তুমি যাকে ভালোবাসো, সে-ই হয়তো তোমাকে ব্যবহার করছে 💔

ভালোবাসা— এই শব্দটা যত সুন্দর, এর খেলার নিয়মটা তত জটিল।

কখনও তুমি কাউকে এতটাই ভালোবাসো যে নিজের সীমার বাইরে গিয়ে সব দিয়ে দাও। অথচ একদিন বুঝতে পারো — সে তোমাকে ভালোবাসে না, বরং ব্যবহার করছিলো। 😔

এটাই ডার্ক সাইকোলজির সবচেয়ে বেদনাদায়ক রূপ — Emotional Exploitation.

তারা তোমার মমতা, ত্যাগ, আর ভালোবাসাকে “tool” বানায়। যেন তোমার আবেগই তাদের হাতের অস্ত্র।

🩸 ১. তারা তোমাকে অপরাধবোধে রাখে
তারা তোমাকে এমনভাবে অনুভব করায় — “তুমি যথেষ্ট করছো না।” অথচ তুমি সবই করছো!

🎭 ২. তারা ভালোবাসাকে চুক্তি বানায়
তারা “ভালোবাসো” বলে শুরু করে, কিন্তু শেষে “প্রমাণ দাও” বলে ফাঁদে ফেলে।

🧠 ৩. তারা তোমার মন পড়তে শেখে
তোমার ভয়, দুর্বলতা, আর স্বপ্নগুলো জেনে নেয় — তারপর সেগুলোই তোমার বিরুদ্ধে ব্যবহার করে।

💬 ৪. তারা চলে গেলে তুমি ভেঙে পড়ো
কারণ তুমি ভালোবেসেছিলে সত্যি মন থেকে, আর তারা খেলেছিলে হিসাব করে।

ইসলাম শেখায় —
“যে মানুষ প্রতারণা করে, সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।” (সহিহ মুসলিম)

তাই নিজেকে ভালোবাসো — অতিরিক্ত নয়, সচেতনভাবে। 💫

কারণ, সত্যিকারের ভালোবাসা কখনও কাউকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায় না,
চায় শুধু শান্তি আর সততা। 🌿

যদি কেউ তোমাকে ভালোবেসে “ব্যবহার” করতে শুরু করে — জেনে রেখো, সে তোমার যোগ্য নয়।

নিজের ভালোবাসার শক্তিকে সংরক্ষণ করো — কারণ এই শক্তিই একদিন তোমাকে আবার গড়ে তুলবে। ❤️‍🔥

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download

যেভাবে বই পড়া বদলে দেবে আপনার জগৎ!

নীলয় ছোটবেলা থেকেই গল্প শুনতে ভালোবাসত। দাদার মুখে কুরআনের সত্য গল্প, দাদির মুখে রূপকথার গল্প, আর বাবার কাছ থেকে বিজ্ঞানময় কাহিনি—এসবই তার শৈশবকে রাঙিয়ে তুলেছিল। কিন্তু কিশোর বয়সে পা দিয়ে সে বই পড়ার প্রতি আগ্রহ হারাতে থাকে। ভিডিও গেম, সোশ্যাল মিডিয়া আর অনলাইন ভিডিওর রঙিন দুনিয়া যেন তাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল।

একদিন এক বন্ধুর বাসায় চা খেতে খেতে তার চোখ পড়ল তাকভর্তি বইয়ের দিকে। বন্ধু বলল, ‘তুই তো গল্প ভালোবাসিস। বই পড়তে শুরু কর, দেখবি তোর জীবন পাল্টে যাবে।’ নীলয় তখন হেসে বলেছিল, ‘বই পড়ে কী হবে? আজকাল তো সব ইউটিউবেই পাওয়া যায়।’ বন্ধু একটি বই এগিয়ে দিয়ে বলল, ‘দু'দিন রাখ। পড়ে দ্যাখ। যদি ভালো না লাগে, ফেরত দিয়ে দিস।’

নীলয় বাড়ি ফিরে বইটি খুলল। প্রথম পাতায় লেখা ছিল, ‘যারা গল্প ভালোবাসে, তাদের জন্য এই বই একটি উপহার।’ এই এক লাইনেই নীলয়ের কৌতূহল জাগিয়ে দিলো। সে পড়া শুরু করল। কাহিনির গভীরে যেতে যেতে নীলয় টের পেল, সে যেন একটা ভিন্ন জগতে প্রবেশ করেছে। চরিত্রগুলো তার সামনে জীবন্ত হয়ে উঠেছে। গল্পের প্রতিটি বাঁক তার মনে কৌতূহল আর উত্তেজনা তৈরি করছিল।

বইটি ছিল এক সাধারণ মানুষের অসাধারণ সংগ্রামের গল্প। পড়তে পড়তে নীলয়ের মনে হলো, গল্পের চরিত্রটির সংগ্রাম যেন তার নিজের জীবনের প্রতিচ্ছবি। বইয়ের প্রতিটি অধ্যায় তাকে নতুন নতুন ভাবনা দিলো—কীভাবে জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়, কীভাবে আশার আলো খুঁজে পেতে হয়। নীলয় বুঝতে পারল, বই শুধু বিনোদনই নয়, এটি জীবনকে গভীরভাবে উপলব্ধি করার একটি মাধ্যম।

এরপর নীলয় অন্যান্য অনেক বিষয়ের বই পড়তে আগ্রহী হয়ে উঠল। সে দেখতে পেল, বই শুধু গল্প নয়, এটি জ্ঞানের এক অপার ভাণ্ডার। ইতিহাস, বিজ্ঞান, দর্শন—সব কিছু জানার এক অনন্য মাধ্যম। ভিডিওতে যা চোখের সামনে ঝটপট ভেসে ওঠে, বই সেই বিষয়ের গভীরে নিয়ে যায়।

পাঠ্য বইয়ের বাইরে গল্প, উপন্যাস আর কবিতা পড়তে গিয়ে নীলয় বুঝতে পারল, বই তার কল্পনার জগৎকে কতটা বিস্তৃত করছে। গল্পের চরিত্রদের চিন্তা, অনুভূতি এবং তাদের তৈরি করা দুনিয়া যেন নীলয়ের নিজের মনের ক্যানভাসে আঁকা হয়ে যাচ্ছিল।

নীলয় লক্ষ্য করল, বইয়ের মধ্যে শুধু তথ্য থাকে না, থাকে অনুভূতি। একটি উপন্যাস তাকে শিখিয়েছে দুঃখ থেকে শিক্ষা নিতে, একটি কবিতা তাকে আশার কথা বলেছে, আর একটি জীবনী তাকে প্রেরণা জুগিয়েছে।

নীলয়ের জীবনের গল্প আমাদের শেখায় যে বই শুধু তথ্যের উৎস নয়, এটি একান্ত অনুভূতির সঙ্গী, জ্ঞানের পথপ্রদর্শক এবং জীবনের শিক্ষক। ডিজিটাল যুগের চটজলদি বিনোদনের বাইরে বই হলো এমন এক মাধ্যম, যা ধীরে ধীরে আমাদের মন এবং চিন্তাধারাকে সমৃদ্ধ করে।

তাই নীলয়ের মতো আমাদেরও উচিত বইকে জীবনের অংশ করে তোলা। কারণ একটি ভালো বই আমাদের কল্পনাকে মুক্ত করে, চিন্তাকে গভীর করে এবং জীবনের মানে খুঁজে পেতে সাহায্য করে।

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download

আত্মসম্মান মানুষের চরিত্রের মেরুদণ্ড।

এটি সেই নীরব শক্তি, যা মানুষকে সৎ, দৃঢ় ও মর্যাদাবান করে তোলে। আত্মসম্মান হারিয়ে ফেললে ব্যক্তি তার মূল্যবোধ, চিন্তা ও ব্যক্তিত্ব—সবই হারায়। সমাজে টিকে থাকতে, নিজের সিদ্ধান্তে স্থির থাকতে এবং অন্যের সম্মান অর্জন করতে হলে প্রথমে নিজেকে সম্মান করতে জানতে হয়। আত্মসম্মান রক্ষা মানে নিজের প্রতি দায়িত্বশীল থাকা, নিজের নীতি ও মর্যাদার সীমা না ভোলা। নিচে নিজের মতো করে আত্মসম্মান রক্ষা বা বাড়ানোর ১৫টি কার্যকর উপায় তুলে ধরলাম...

১. নিজের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হোন :
নিজেকে ছোট মনে করবেন না। আপনি যেমন, তেমনভাবেই নিজেকে গ্রহণ করুন। নিজের গুণ ও সীমাবদ্ধতা—দুটোকেই সম্মান দিন।

২. ‘না’ বলতে শিখুন :
সবকিছুতেই সম্মতি দেওয়া আত্মসম্মানের ক্ষতি করে। অন্যায় বা অপমানজনক প্রস্তাবের সামনে দৃঢ়ভাবে ‘না’ বলতে পারা আত্মসম্মানের অন্যতম রূপ।

৩. নিজের মতামতকে গুরুত্ব দিন :
অন্যরা কী ভাবছে তা ভেবে নিজের মতকে চাপা দেবেন না। আত্মসম্মান রক্ষার প্রথম শর্ত হলো নিজের চিন্তার প্রতি আস্থা রাখা।

৪. অন্যের কাছে নিজেকে প্রমাণ করতে যাবেন না :
নিজেকে সবসময় সঠিক প্রমাণ করতে গিয়ে ক্লান্ত হবেন না। যারা সত্যিকার অর্থে আপনাকে বোঝে, তাদের কাছে প্রমাণের প্রয়োজন পড়ে না।

৫. নিজের ভুল স্বীকার করুন :
ভুল করলে তা স্বীকার করা দুর্বলতা নয়, বরং আত্মসম্মানের প্রতীক। নিজের ভুল জানা মানুষই সত্যিকার সম্মান পায়।

৬. অপমানকে কখনো সহ্য করবেন না :
যেখানে আপনাকে অবমাননা করা হয়, সেখান থেকে দূরে সরে আসুন। অপমানের সাথে আপস করা মানে নিজের মর্যাদা হারানো।

৭. আত্মবিশ্বাসী থাকুন :
আত্মসম্মান আসে আত্মবিশ্বাস থেকে। নিজের সিদ্ধান্ত ও কাজের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস রাখুন, তাহলেই আপনি সম্মান রক্ষা করতে পারবেন।

৮. অন্যকে সম্মান দিন :
অন্যকে অসম্মান করে কেউ নিজের মর্যাদা বাড়াতে পারে না। সম্মান পেতে হলে আগে দিতে জানতে হয়।

৯. নিজের সীমারেখা নির্ধারণ করুন :
মানুষকে কতটা কাছে টানবেন বা দূরে রাখবেন, সেটি আপনিই ঠিক করুন। এই সীমারেখাই আত্মসম্মানের রক্ষাকবচ।

১০. কারও উপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হবেন না :
অতিরিক্ত নির্ভরতা আত্মসম্মানকে দুর্বল করে। নিজে নিজের কাজ করার চেষ্টা করুন, আত্মনির্ভর হোন।

১১. সত্য কথা বলুন, মিথ্যার আশ্রয় নেবেন না :
মিথ্যা একদিন প্রকাশ পায়, আর তখন আত্মসম্মান ভেঙে পড়ে। সত্যকে আঁকড়ে ধরা মানুষই মর্যাদা ধরে রাখতে পারে।

১২. অন্যের সঙ্গে তুলনা করবেন না :
নিজেকে অন্যের সঙ্গে তুলনা করা আত্মসম্মান নষ্ট করে। আপনি অনন্য—এই বিশ্বাসটিই আপনাকে শক্ত রাখবে।

১৩. লোভ ও প্রতারণা থেকে দূরে থাকুন :
লোভ মানুষকে নিচে নামায়। সততা আত্মসম্মানের সবচেয়ে বড় ভিত্তি। তাই প্রলোভনে নয়, ন্যায়ের পথে চলুন।

১৪. নিজের আবেগের নিয়ন্ত্রণ রাখুন :
অতিরিক্ত রাগ, হিংসা বা হীনমন্যতা আত্মসম্মান ক্ষয় করে। সংযমী মনই আত্মসম্মানকে টিকিয়ে রাখে।

১৫. নিজের উন্নতির জন্য চেষ্টা করুন :
আত্মসম্মান মানে স্থবির থাকা নয়। প্রতিনিয়ত শেখা, বেড়ে ওঠা, নিজের যোগ্যতা বাড়ানোই আত্মসম্মানের প্রকৃত বিকাশ।

আত্মসম্মান কোনো বাহ্যিক বস্তু নয়, এটি এক অভ্যন্তরীণ শক্তি—যা মানুষকে মাথা উঁচু করে বাঁচতে শেখায়। অর্থ, খ্যাতি বা সৌন্দর্যের চেয়ে আত্মসম্মান অনেক মূল্যবান। যে ব্যক্তি নিজের মর্যাদা বোঝে, সে কখনো অন্যের দ্বারা অপমানিত হয় না। তাই সমাজে সম্মান পেতে হলে আগে নিজের আত্মসম্মান রক্ষা করতে শিখতে হবে—কারণ যে নিজেকে সম্মান করতে জানে, পৃথিবীও তাকে সম্মান দিতে বাধ্য হয়।

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)

ছোট ছোট শুকরিয়া, বড় বড় শান্তি 🤲

আমরা প্রায়ই বড় কিছু পাওয়ার অপেক্ষায় থাকি। একটি ভালো চাকরি, একটি বড় বাড়ি, একটি নতুন গাড়ি। কিন্তু এই অপেক্ষার ভিড়ে আমরা প্রতিদিনের ছোট ছোট নিয়ামতগুলোর জন্য শুকরিয়া আদায় করতে ভুলে যাই।

আজ সকালে সুস্থভাবে ঘুম থেকে উঠতে পারাটা কি একটি নিয়ামত নয়? তৃষ্ণা মেটানোর জন্য ঠান্ডা পানি পাওয়াটা কি শুকরিয়ার কারণ নয়? পরিবারের সাথে বসে একবেলা খাবার খাওয়াটাও তো আল্লাহর এক বিশাল রহমত।

ইসলাম আমাদের শেখায়, যখন তুমি শুকরিয়া আদায় করবে, আল্লাহ তোমাকে আরও বাড়িয়ে দেবেন। শুকরিয়া শুধুমাত্র  নয়, অন্তরেও অনুভব করার বিষয়। যখন আপনি ছোট ছোট বিষয়ে সন্তুষ্ট থাকতে শিখবেন, দেখবেন আপনার হৃদয় এক অবর্ণনীয় শান্তিতে ভরে গেছে। আলহামদুলিল্লাহ বলুন, প্রতিটি নিঃশ্বাসের জন্য। 🌿

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)

ইগনোর করলে জীবন সুন্দর 🥰

আপনাকে জীবনে অনেক মানুষ অনেক রকম বড় বড় স্কিল শিখতে বলবে। আমি একটা ছোট্ট স্কিল শিখতে বলি। এই স্কিলটার নাম হচ্ছে 'পাত্তা না দেয়া'। সুন্দর করে বলতে গেলে বলে 'ইগনোর' করা। ধরুন কেউ আপনার লিঙ্গ, বর্ণ, বিশ্বাস বা যেকোনো কিছু নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করল। ধরুন, ৪-৫ মিনিট ধরে কেউ টানা লেকচার দিল কেন তার কথা যৌক্তিক এবং আপনারটা ভুল। ধরুন, কেউ আপনাকে ইনিয়ে বিনিয়ে বা সরাসরি পচানোর চেষ্টা করছে। চেষ্টা করছে অযথা অযৌক্তিক তর্কে জড়ানোর। আপনি কী করবেন? উত্তর হচ্ছে কিছুই না। একদম পাত্তাই দিবেন না।
দুনিয়ার সবাইকে, সবকিছুকে গোণায় ধরতে হয় না। আজাইরা মানুষ, আজাইরা মন্তব্য সবকিছুকে এড়িয়ে গিয়ে কেবল নিজের কাজে ফোকাস করতে হবে। একটা বাক্য দূরে থাক, একটা শব্দ উচ্চারণ করেও সময় নষ্ট করার দরকার নাই।
পাত্তা না দেয়া একটা আর্ট। 'পারফেক্ট' হওয়ার দরকার নাই; মাঝারি মানের আর্টিস্ট হতে পারলেই জীবন অনেক ঝামেলামুক্ত হয়ে যাবে।

 
আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download

জীবন যেদিন থেমে যাবে

একদিন জীবন ঘড়িটা হঠাৎ থেমে যাবে। চোখ দুটো হয়ে যাবে স্থির। বুক হবে নিঃশ্বাসহীন। সেদিন শত তাওবা করেও লাভ হবে না। রহমানের কাছে ক্ষমা চাওয়ার দরজা সেদিন করে দেওয়া হবে বন্ধ। কারও অনুশোচনা সেদিন কাজে আসবে না। সেদিন আফসোস করে বলবে— “আহ! যদি আরেকটু সময় পেতাম! যদি সুযোগ থাকত চোখ ভিজিয়ে বলার, ''ইয়া আল্লাহ! ক্ষমা করে দিন।" তাই এখনই ফিরে আসার সময় রবের দিকে। এখনই সময় তাওবা করে নিজেকে শুধরে নেওয়ার। এখনই নিজেকে সঁপে দিতে হবে রবের কাছে। আল্লাহ এখনো ডাকছেন— “হে আমার বান্দা! ফিরে এসো। আমি ক্ষমা করতে ভালোবাসি।” আজ চোখে পানি ফেলো, কাল হয়তো চোখই থাকবে না। আজই হৃদয়ে আগুন লাগাও, যেন কাল জাহান্নামের আগুন না লাগে।

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download
Advertisement