অডিও প্লেয়ার
0:00 0:00
Advertisement

শুধু IQ বেশি হলে বিপদে পড়বেন.!⚠️

আমরা ছোটবেলা থেকেই এরকম অনেককেই দেখেছি —
যাদের দেখামাত্রই সবাই বলে, “সে খুব বুদ্ধিমান! এই ছেলে/মেয়ে একদিন বড় কিছু করবে!”
এবং এর বিপরীতে একদল মানুষ থাকে, যাদের দেখামাত্রই  সবাই ভাবে, “এর দ্বারা কোনো কাজ হবে না!”

তবে আপনি নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন, বাস্তবে অনেক সময় উল্টোটা ঘটে।
যাকে আমরা ‘জিনিয়াস’ ভাবি, সে মাঝপথে থেমে যায়,
আর যাকে ‘সাধারণ’ ভাবি, সে একদিন সবার উপরে উঠে যায়।

আসলে IQ (বুদ্ধিমত্তা) খারাপ কিছু না —
এটা শেখার, বোঝার, আর চিন্তা করার ক্ষমতা।
কিন্তু শুধু IQ থাকলেই চলবে না।
EQ (নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা),
SQ (সম্পর্ক তৈরি ও টিমওয়ার্কের দক্ষতা),
আর AQ (কঠিন সময়ে লড়ে যাওয়ার মানসিকতা) —
এই তিনটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

অনেক সময় দেখা যায়,
যাদের IQ একটু কম, কিন্তু EQ–SQ–AQ বেশি —
তারাই বাস্তব জীবনে বেশি সফল হয়।

উদাহরণ হিসেবে মনে করুন,
একটা কোম্পানিতে অনেক কর্মচারীর IQ বেশি,
কিন্তু মালিকের EQ ও AQ বেশি বলেই
সে সবাইকে নেতৃত্ব দেয়।

তাই আমি বলি —
IQ থাকা অবশ্যই দরকার,
কিন্তু সাথে EQ–SQ–AQ না থাকলে সেই জ্ঞান কাজে লাগে না।
তাছাড়া যাদের IQ খুব বেশি, তারা অনেক ক্ষেত্রে কিছুটা অহংকারী হয়ে পড়ে,
যার ফলে সবাই এসব মানুষ থেকে দূরে সরে যায়,
তারা সব পরিবেশে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারে না।

আমাদের বাবা-মায়েরা,
আপনার সন্তানের শুধু রেজাল্ট বা মুখস্থ বিদ্যা নিয়ে ব্যস্ত থাকবেন না।
তাকে শেখান — কিভাবে মানুষের সাথে কথা বলতে হয়,
কিভাবে নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে হয়,
কিভাবে পরিশ্রম করতে হয়,
আর কিভাবে ব্যর্থতার পরও হাল না ছাড়তে হয়।

তাকে খেলাধুলা, শিল্প, ও সমাজের কাজে যুক্ত করুন —
যেন সে শুধু বইয়ের ভেতর নয়,
জীবনের ভেতর থেকেও শিখতে পারে। ❤️

একজন দায়িত্বশীল মানুষ,একজন দায়িত্বশীল নাগরিক,  একজন সফল লিডার, হতে হলে EQ–SQ–AQ এর কোন বিকল্প নেই। 

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download

তুমি যাকে ভালোবাসো, সে-ই হয়তো তোমাকে ব্যবহার করছে 💔

ভালোবাসা— এই শব্দটা যত সুন্দর, এর খেলার নিয়মটা তত জটিল।

কখনও তুমি কাউকে এতটাই ভালোবাসো যে নিজের সীমার বাইরে গিয়ে সব দিয়ে দাও। অথচ একদিন বুঝতে পারো — সে তোমাকে ভালোবাসে না, বরং ব্যবহার করছিলো। 😔

এটাই ডার্ক সাইকোলজির সবচেয়ে বেদনাদায়ক রূপ — Emotional Exploitation.

তারা তোমার মমতা, ত্যাগ, আর ভালোবাসাকে “tool” বানায়। যেন তোমার আবেগই তাদের হাতের অস্ত্র।

🩸 ১. তারা তোমাকে অপরাধবোধে রাখে
তারা তোমাকে এমনভাবে অনুভব করায় — “তুমি যথেষ্ট করছো না।” অথচ তুমি সবই করছো!

🎭 ২. তারা ভালোবাসাকে চুক্তি বানায়
তারা “ভালোবাসো” বলে শুরু করে, কিন্তু শেষে “প্রমাণ দাও” বলে ফাঁদে ফেলে।

🧠 ৩. তারা তোমার মন পড়তে শেখে
তোমার ভয়, দুর্বলতা, আর স্বপ্নগুলো জেনে নেয় — তারপর সেগুলোই তোমার বিরুদ্ধে ব্যবহার করে।

💬 ৪. তারা চলে গেলে তুমি ভেঙে পড়ো
কারণ তুমি ভালোবেসেছিলে সত্যি মন থেকে, আর তারা খেলেছিলে হিসাব করে।

ইসলাম শেখায় —
“যে মানুষ প্রতারণা করে, সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।” (সহিহ মুসলিম)

তাই নিজেকে ভালোবাসো — অতিরিক্ত নয়, সচেতনভাবে। 💫

কারণ, সত্যিকারের ভালোবাসা কখনও কাউকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায় না,
চায় শুধু শান্তি আর সততা। 🌿

যদি কেউ তোমাকে ভালোবেসে “ব্যবহার” করতে শুরু করে — জেনে রেখো, সে তোমার যোগ্য নয়।

নিজের ভালোবাসার শক্তিকে সংরক্ষণ করো — কারণ এই শক্তিই একদিন তোমাকে আবার গড়ে তুলবে। ❤️‍🔥

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download

দুই মাতাল

"দুটো পাগল মেন্টাল হাসপাতাল থেকে পালানোর প্ল্যান করলো"

 

১ম পাগলঃ আমরা সকাল সকাল মেইন গেটে গিয়ে পাহারাদার কে খুব করে মারবো, তারপর গেট খুলে পালিয়ে যাবো।

 

২য় পাগলঃ হ্যাঁ, এটাই ঠিক হবে।

 

পরেরদিন পাগল দুটো তাদের প্ল্যান মতো মেইন গেটে উপস্থিত হলো, কিন্তু গেটে কোনো পাহারাদার ছিল না, আর গেটও খোলা ছিল। পাহারাদার কে সেখানে দেখতে না পেয়ে নিরাশ হয়ে,

 

১ম পাগল বললঃ ইসসসসসস..... আমাদের প্ল্যানটাই ভেস্তে গেল। শালা পাহারাদারটা কোথায় মরতে গেছে কে জানে !!! আজ ও থাকলে আমরা পালিয়ে যেতে পারতাম..।

 

২য় পাগলঃ হুমমমমম.মেইনগেটও বন্ধ নেই যে, খুলে পালিয়ে যাবো। আজ ফিরে যাই চল, অন্যদিন আবার ট্রাই করবো।

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download

যেভাবে বই পড়া বদলে দেবে আপনার জগৎ!

নীলয় ছোটবেলা থেকেই গল্প শুনতে ভালোবাসত। দাদার মুখে কুরআনের সত্য গল্প, দাদির মুখে রূপকথার গল্প, আর বাবার কাছ থেকে বিজ্ঞানময় কাহিনি—এসবই তার শৈশবকে রাঙিয়ে তুলেছিল। কিন্তু কিশোর বয়সে পা দিয়ে সে বই পড়ার প্রতি আগ্রহ হারাতে থাকে। ভিডিও গেম, সোশ্যাল মিডিয়া আর অনলাইন ভিডিওর রঙিন দুনিয়া যেন তাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল।

একদিন এক বন্ধুর বাসায় চা খেতে খেতে তার চোখ পড়ল তাকভর্তি বইয়ের দিকে। বন্ধু বলল, ‘তুই তো গল্প ভালোবাসিস। বই পড়তে শুরু কর, দেখবি তোর জীবন পাল্টে যাবে।’ নীলয় তখন হেসে বলেছিল, ‘বই পড়ে কী হবে? আজকাল তো সব ইউটিউবেই পাওয়া যায়।’ বন্ধু একটি বই এগিয়ে দিয়ে বলল, ‘দু'দিন রাখ। পড়ে দ্যাখ। যদি ভালো না লাগে, ফেরত দিয়ে দিস।’

নীলয় বাড়ি ফিরে বইটি খুলল। প্রথম পাতায় লেখা ছিল, ‘যারা গল্প ভালোবাসে, তাদের জন্য এই বই একটি উপহার।’ এই এক লাইনেই নীলয়ের কৌতূহল জাগিয়ে দিলো। সে পড়া শুরু করল। কাহিনির গভীরে যেতে যেতে নীলয় টের পেল, সে যেন একটা ভিন্ন জগতে প্রবেশ করেছে। চরিত্রগুলো তার সামনে জীবন্ত হয়ে উঠেছে। গল্পের প্রতিটি বাঁক তার মনে কৌতূহল আর উত্তেজনা তৈরি করছিল।

বইটি ছিল এক সাধারণ মানুষের অসাধারণ সংগ্রামের গল্প। পড়তে পড়তে নীলয়ের মনে হলো, গল্পের চরিত্রটির সংগ্রাম যেন তার নিজের জীবনের প্রতিচ্ছবি। বইয়ের প্রতিটি অধ্যায় তাকে নতুন নতুন ভাবনা দিলো—কীভাবে জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়, কীভাবে আশার আলো খুঁজে পেতে হয়। নীলয় বুঝতে পারল, বই শুধু বিনোদনই নয়, এটি জীবনকে গভীরভাবে উপলব্ধি করার একটি মাধ্যম।

এরপর নীলয় অন্যান্য অনেক বিষয়ের বই পড়তে আগ্রহী হয়ে উঠল। সে দেখতে পেল, বই শুধু গল্প নয়, এটি জ্ঞানের এক অপার ভাণ্ডার। ইতিহাস, বিজ্ঞান, দর্শন—সব কিছু জানার এক অনন্য মাধ্যম। ভিডিওতে যা চোখের সামনে ঝটপট ভেসে ওঠে, বই সেই বিষয়ের গভীরে নিয়ে যায়।

পাঠ্য বইয়ের বাইরে গল্প, উপন্যাস আর কবিতা পড়তে গিয়ে নীলয় বুঝতে পারল, বই তার কল্পনার জগৎকে কতটা বিস্তৃত করছে। গল্পের চরিত্রদের চিন্তা, অনুভূতি এবং তাদের তৈরি করা দুনিয়া যেন নীলয়ের নিজের মনের ক্যানভাসে আঁকা হয়ে যাচ্ছিল।

নীলয় লক্ষ্য করল, বইয়ের মধ্যে শুধু তথ্য থাকে না, থাকে অনুভূতি। একটি উপন্যাস তাকে শিখিয়েছে দুঃখ থেকে শিক্ষা নিতে, একটি কবিতা তাকে আশার কথা বলেছে, আর একটি জীবনী তাকে প্রেরণা জুগিয়েছে।

নীলয়ের জীবনের গল্প আমাদের শেখায় যে বই শুধু তথ্যের উৎস নয়, এটি একান্ত অনুভূতির সঙ্গী, জ্ঞানের পথপ্রদর্শক এবং জীবনের শিক্ষক। ডিজিটাল যুগের চটজলদি বিনোদনের বাইরে বই হলো এমন এক মাধ্যম, যা ধীরে ধীরে আমাদের মন এবং চিন্তাধারাকে সমৃদ্ধ করে।

তাই নীলয়ের মতো আমাদেরও উচিত বইকে জীবনের অংশ করে তোলা। কারণ একটি ভালো বই আমাদের কল্পনাকে মুক্ত করে, চিন্তাকে গভীর করে এবং জীবনের মানে খুঁজে পেতে সাহায্য করে।

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download

মানুষ আপনাকে সেভাবেই দেখে- যেভাবে আপনি নিজেকে উপস্থাপন করেন।

আপনার চারপাশের মানুষ আপনাকে সেভাবেই দেখে —
যেভাবে আপনি নিজেকে উপস্থাপন করেন।

যদি আপনি নিজেকে দুর্বল ভাবেন,
মানুষও আপনাকে অবহেলা করবে। 😔

আর যদি আপনি আত্মবিশ্বাসে ভরপুর হন,
তারা আপনাকে গুরুত্ব দেবে, সম্মান দেবে। 💪✨

আপনার পোশাক, কথাবার্তা, হাঁটা, আচরণ —
সব কিছুই আপনার “নিজস্ব ব্র্যান্ড” তৈরি করে।

 মনে রাখুন, পৃথিবী আপনাকে সেভাবেই দেখে যেভাবে আপনি নিজেকে দেখান।

নিজেকে উপস্থাপন করুন এমনভাবে —
যাতে আপনি চুপ থাকলেও  আপনার শক্তি বোঝা যায়। 

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download

ডার্ক সাইকোলজি — মনের অন্ধকার দিক বোঝার শিল্প 😈🧠

ডার্ক সাইকোলজি (Dark Psychology) মানে হলো — মানব মনের সেই অংশ, যেটা সাধারণত আমরা লুকিয়ে রাখি।

এটা সেই অংশ যেখানে বাস করে প্রভাব, প্রতারণা, নিয়ন্ত্রণ আর মানসিক খেলা। মানুষ যখন তার স্বার্থসিদ্ধির জন্য অন্যের চিন্তা ও আবেগ নিয়ে খেলা করে — তখনই ডার্ক সাইকোলজি কাজ করে।

💡 মনোবিজ্ঞানী Robert Greene তাঁর বই “The 48 Laws of Power”-এ বলেছেন,
“মানুষকে বুঝতে শেখো, তাহলেই তুমি তাদের প্রভাবিত করতে পারবে।”

ইসলামও সতর্ক করেছে এই অন্ধকার প্রবণতা নিয়ে। কুরআনে বলা হয়েছে —
“নিশ্চয় শয়তান মানুষকে প্রতারণা করতে চায়, যেন সে সত্য পথ থেকে বিচ্যুত হয়।” (সূরা আল-আনফাল, ৮:৪৮)

তাহলে প্রশ্ন হলো — ডার্ক সাইকোলজি জানলে কি আমরা খারাপ হয়ে যাই?

না। বরং যারা এই দিকটা বোঝে, তারা বুঝতে পারে কে তাকে প্রভাবিত করছে, কে মনের ভেতর ঢুকতে চাইছে।

👉 একজন সচেতন মানুষ ডার্ক সাইকোলজি শেখে — অন্যকে কষ্ট দিতে নয়, নিজের মানসিক সুরক্ষার জন্য।

এই যুগে “মনের যুদ্ধ” বাস্তব। মানুষ অস্ত্র দিয়ে নয়, শব্দ, আচরণ ও ইমোশন দিয়ে আক্রমণ করে।

তাই নিজেকে মানসিকভাবে রক্ষা করার জন্য বুঝতে শেখো — কে কেমনভাবে তোমাকে প্রভাবিত করছে।

কারণ, যে নিজেকে বুঝে, তাকে আর কেউ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। 🔥

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download

মিষ্টি কথা — সবচেয়ে বিপজ্জনক মানসিক অস্ত্র 🎭

মিষ্টি কথা—এটা শুনতে সুন্দর, কিন্তু অনেক সময় তা হতে পারে  ফাঁদ।

মানুষ কখনোই সরাসরি আক্রমণ করে না; তারা মিষ্টি কথার আড়ালে তোমাকে নিয়ন্ত্রণ করে। #darkpsychology #manipulation

🎭 ১. Compliment Trap
তারা অতিরঞ্জিত প্রশংসা দেয় — যাতে তুমি তাদের কাছে কৃতজ্ঞতা অনুভব করে ফেলো। একবার কৃতজ্ঞতা জড়ালে, তারা ছোট ছোট চাহিদা চাপিয়ে দিতে শুরু করে।

🧠 ২. Gradual Commitment
মিষ্টি কথার পরে ছোট অনুরোধ — আর ছোট অনুরোধগুলো এক সময় বড় দখলে পরিণত হয়। তুমি টেরও পাবে না কখন তোমার স্বাধীনতা ধীরে ধীরে কমছে।

💬 ৩. Emotional Currency
মিষ্টি কথা হলো এক প্রকার মানসিক মুদ্রা; তারা সেটা ব্যবহার করে তোমার সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলে। তুমি তাদের সাথে লেনদেন করবে — আর তারা লাভবান হবে।

📉 ৪. Isolation Tactic
মিষ্টি কথার পেছনে অনেক সময় আছে subtle ইঙ্গিত — “তারাই তোমাকে বুঝবে, বাকিরা বুঝবে না” — এটিই ধাপে ধাপে তোমাকে আলাদা করে ফেলে দেয়।

ইসলাম শেখায় সতর্ক থাকতে — ভাষা সুন্দর হলেও নিকট চিন্তা যাচাই করতে শেখো। কুরআনে এবং হাদিসে সততা ও ন্যায়ের গুরুত্ব বারবার বলা হয়েছে।

🔎 নিজের প্রতি জিজ্ঞাসা করো — “এই প্রশংসা কি প্রকৃত, নাকি কোনো স্বার্থের অংশ?” যদি একটু সন্দেহ থেকে যায়, দ্রুত নিজেকে রক্ষা করো।

শেষে বলি — মিষ্টি কথা বিষ নয়, কিন্তু বোঝাপড়া ছাড়া মিষ্টি কথা মানে অনেক সময় নিজের ক্ষতি। নিজের মূল্য রাখো, নিজের ইমোশনকে #selfrespect দিয়ে রক্ষা করো।

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download

মানুষ কিভাবে তোমার মন নিয়ন্ত্রণ করে — তুমি টেরও পাও না 😨

তুমি কি জানো — মানুষ তোমার মনকে এমনভাবে প্রভাবিত করে, যে তুমি বুঝতেই পারো না তুমি নিয়ন্ত্রিত হচ্ছো? 😶‍🌫️

এইটাই হলো Dark Psychology — যেখানে মানুষ শব্দ, দৃষ্টি, ও আচরণের মাধ্যমে অন্যের চিন্তা ও সিদ্ধান্তকে ঘুরিয়ে দেয়।

🎭 ১. Emotion Hijacking
তারা তোমার আবেগের ওপর আঘাত করে।
তোমার ভয়, ভালোবাসা, অপরাধবোধ — এসব ব্যবহার করে তোমাকে নির্ভরশীল করে তোলে।

📞 ২. Guilt Programming
তারা এমনভাবে কথা বলে, যাতে তুমি নিজেকে দোষী মনে করো, এমনকি যখন ভুলটা তাদেরই হয়।

🪞 ৩. Mirroring Effect
তারা তোমার মতো আচরণ করে, যেন মনে হয় — “এই মানুষটা আমাকে বুঝে!”
আসলে এটা একধরনের মানসিক ফাঁদ, যা তোমার বিশ্বাস অর্জনের জন্য ব্যবহার হয়।

🧠 ৪. Information Control
তারা তোমার কাছে তথ্য গোপন রাখে বা এমনভাবে উপস্থাপন করে যেন তুমি তাদের নির্ভর করে চিন্তা করো।

💬 ৫. Silent Manipulation
সবচেয়ে ভয়ংকর নিয়ন্ত্রণ হয় চুপ থেকে। তারা তোমার মধ্যে guilt, confusion, ও insecurity তৈরি করে, অথচ মুখে কিছু বলে না।

রাসূল ﷺ বলেছেন —
“যে মানুষকে প্রতারণা করে, সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।” (সহিহ মুসলিম)

ইসলাম মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করতে নয়, বরং বুঝতে শেখায় — যেন তুমি নিজেকে বাঁচাতে পারো।

কারণ, তুমি যত নিজের মনকে জানবে, অন্য কেউ তত কম তোমাকে চালাতে পারবে। 🧩

নিজেকে বোঝো, পর্যবেক্ষণ করো, আর কখনও কাউকে তোমার চিন্তার রিমোট কন্ট্রোল দিও না। 🎮

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download

কেউ অপমান করলে কী করবেন.? ইসলাম কি বলে!

একবার মাওলানা জালালউদ্দিন রুমি (রহঃ) বলেছিলেন—

“তুমি যদি প্রতিটি ঘেউ ঘেউ করা কুকুরের দিকে পাথর ছুঁড়তে থাকো,
তবে কখনো গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবে না।” 


অর্থাৎ, যাকে অপমান করা হচ্ছে, সে যদি তার প্রতিক্রিয়ায় মগ্ন হয়,
তবে সে তার লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হবে।
তাই রুমি বলেন, নিজেকে উঁচু রাখো,
যেখানে অপমান পৌঁছাতে পারবে না। 


অপমানের প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে প্রতিফলন দাও!
যে মানুষ তোমাকে ছোট করার চেষ্টা করছে,
সে আসলে নিজের ভেতরের হীনমন্যতা লুকাতে চায়।

বিখ্যাত দার্শনিক এপিকটিটাস (Epictetus) বলেছেন —

 “It’s not what happens to you,
but how you react to it that matters.”


অর্থাৎ, অপমান তোমার নিয়ন্ত্রণে না,
কিন্তু প্রতিক্রিয়া পুরোপুরি তোমার হাতে।


 একটু ভাবো...
যদি কেউ তোমাকে অপমান করে,
তুমি যদি চুপ থাকো — তাহলে তার মাথা খারাপ হয়ে যায় ,
কারণ সে চেয়েছিল তোমাকে রাগাতে তোমার প্রতিক্রিয়া দেখতে।
আর তুমি যখন হাসি দিয়ে পাশ কাটিয়ে যাও,
তুমি তখন প্রমাণ করো —
তুমি তার চেয়ে বড়, শক্তিশালী, আর পরিপক্ক।


রুমি আবার বলেছেন —

 “Silence is the language of God,
all else is poor translation.” 


অর্থাৎ, নীরবতা অনেক সময় এমন উত্তর দেয়,
যা হাজার কথার চেয়ে গভীর ও সম্মানজনক।


আমি যেটা করে থাকি এবং আমার মতামত হলো:
অপমানের জবাব দেওয়ার দরকার নেই।
অপমানকে অতিক্রম করো।
যখন তুমি নিজের মূল্য নিজেই জানো,
তখন কেউ তোমাকে ছোট করতে পারবে না।

আমাদের মনে রাখা উচিত - 
অপমান কেবল তাদের হাতিয়ার,
যাদের যুক্তি ফুরিয়ে গেছে,
আর সম্মান হারিয়ে গেছে নিজ চোখে।

তুমি তোমার স্থিরতা, জ্ঞান, ও নীরবতায়
তাদের থেকেও অনেক উপরে ❤️

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download

নিজেকে শক্তিশালী করার ১০ টি নিয়ম

1. আপনার কাছে যত বেশি তথ্য থাকবে আপনি তত বেশি শক্তিশালী।


2. আপনার কাছে যত বেশি অন্যের গোপন ইনফর্মেশন থাকবে আপনি তত বেশি শক্তিশালী।


3. পৃথিবীর একটি অন্যতম শক্তিশালী দিক হচ্ছে মানুষকে কনভিন্স করা।মানুষকে কনভিন্স করতে পারার মতো শক্তি পৃথিবীতে খুবই বিরল।


4. অন্যের মন জয় করা- একটি অন্যতম বিরল প্রকৃতির শক্তি।কাজেই অন্যের মন জয় করার শক্তি অর্জন করুন।


5. আত্মনির্ভরশীল হওয়া- নিজেকে সবল এবং শক্তিশালী করার জন্য খুবই প্রয়োজন।


6. সামাজিক নেটওয়ার্কিং এবং সাংগঠনিক দক্ষতা এক্ষেত্রে খুবই প্রয়োজন।


7. নিজেকে অত্যন্ত সবল এবং শক্তিশালী করতে হলে আপনাকে একজন সুবক্তা হতে হবে।একজন দক্ষ বক্তা যে কোন পরিস্থিতি বদলে দিতে পারে।


8. নিজের শক্তিশালী এবং দুর্বল দিক সম্পর্কে একটি পূর্ণাঙ্গ ধারণা থাকতে হবে।


9. নিজেকে জানুন। আপনি যা চিন্তা করবেন মনে মনে তাই হয়ে উঠবেন, নিজের সম্পর্কে ভালো ধারণা করুন। 


10. নিজের সম্পর্কে যত কম প্রকাশ করবেন,ততই নিজেকে শক্তিশালী এবং সবল হিসেবে উপস্থাপন করতে পারবেন।


লেখাগুলো ভালো লাগলে সাপোর্ট দিয়ে পাশে থাকবেন 🤭🤭

 

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download
Advertisement