একবার মাওলানা জালালউদ্দিন রুমি (রহঃ) বলেছিলেন—
“তুমি যদি প্রতিটি ঘেউ ঘেউ করা কুকুরের দিকে পাথর ছুঁড়তে থাকো,
তবে কখনো গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবে না।”
অর্থাৎ, যাকে অপমান করা হচ্ছে, সে যদি তার প্রতিক্রিয়ায় মগ্ন হয়,
তবে সে তার লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হবে।
তাই রুমি বলেন, নিজেকে উঁচু রাখো,
যেখানে অপমান পৌঁছাতে পারবে না।
অপমানের প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে প্রতিফলন দাও!
যে মানুষ তোমাকে ছোট করার চেষ্টা করছে,
সে আসলে নিজের ভেতরের হীনমন্যতা লুকাতে চায়।
বিখ্যাত দার্শনিক এপিকটিটাস (Epictetus) বলেছেন —
“It’s not what happens to you,
but how you react to it that matters.”
অর্থাৎ, অপমান তোমার নিয়ন্ত্রণে না,
কিন্তু প্রতিক্রিয়া পুরোপুরি তোমার হাতে।
একটু ভাবো...
যদি কেউ তোমাকে অপমান করে,
তুমি যদি চুপ থাকো — তাহলে তার মাথা খারাপ হয়ে যায় ,
কারণ সে চেয়েছিল তোমাকে রাগাতে তোমার প্রতিক্রিয়া দেখতে।
আর তুমি যখন হাসি দিয়ে পাশ কাটিয়ে যাও,
তুমি তখন প্রমাণ করো —
তুমি তার চেয়ে বড়, শক্তিশালী, আর পরিপক্ক।
রুমি আবার বলেছেন —
“Silence is the language of God,
all else is poor translation.”
অর্থাৎ, নীরবতা অনেক সময় এমন উত্তর দেয়,
যা হাজার কথার চেয়ে গভীর ও সম্মানজনক।
আমি যেটা করে থাকি এবং আমার মতামত হলো:
অপমানের জবাব দেওয়ার দরকার নেই।
অপমানকে অতিক্রম করো।
যখন তুমি নিজের মূল্য নিজেই জানো,
তখন কেউ তোমাকে ছোট করতে পারবে না।
আমাদের মনে রাখা উচিত -
অপমান কেবল তাদের হাতিয়ার,
যাদের যুক্তি ফুরিয়ে গেছে,
আর সম্মান হারিয়ে গেছে নিজ চোখে।
তুমি তোমার স্থিরতা, জ্ঞান, ও নীরবতায়
তাদের থেকেও অনেক উপরে ❤️
মন্তব্যসমূহ