অডিও প্লেয়ার
0:00 0:00

যেভাবে বই পড়া বদলে দেবে আপনার জগৎ!

নীলয় ছোটবেলা থেকেই গল্প শুনতে ভালোবাসত। দাদার মুখে কুরআনের সত্য গল্প, দাদির মুখে রূপকথার গল্প, আর বাবার কাছ থেকে বিজ্ঞানময় কাহিনি—এসবই তার শৈশবকে রাঙিয়ে তুলেছিল। কিন্তু কিশোর বয়সে পা দিয়ে সে বই পড়ার প্রতি আগ্রহ হারাতে থাকে। ভিডিও গেম, সোশ্যাল মিডিয়া আর অনলাইন ভিডিওর রঙিন দুনিয়া যেন তাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল।

একদিন এক বন্ধুর বাসায় চা খেতে খেতে তার চোখ পড়ল তাকভর্তি বইয়ের দিকে। বন্ধু বলল, ‘তুই তো গল্প ভালোবাসিস। বই পড়তে শুরু কর, দেখবি তোর জীবন পাল্টে যাবে।’ নীলয় তখন হেসে বলেছিল, ‘বই পড়ে কী হবে? আজকাল তো সব ইউটিউবেই পাওয়া যায়।’ বন্ধু একটি বই এগিয়ে দিয়ে বলল, ‘দু'দিন রাখ। পড়ে দ্যাখ। যদি ভালো না লাগে, ফেরত দিয়ে দিস।’

নীলয় বাড়ি ফিরে বইটি খুলল। প্রথম পাতায় লেখা ছিল, ‘যারা গল্প ভালোবাসে, তাদের জন্য এই বই একটি উপহার।’ এই এক লাইনেই নীলয়ের কৌতূহল জাগিয়ে দিলো। সে পড়া শুরু করল। কাহিনির গভীরে যেতে যেতে নীলয় টের পেল, সে যেন একটা ভিন্ন জগতে প্রবেশ করেছে। চরিত্রগুলো তার সামনে জীবন্ত হয়ে উঠেছে। গল্পের প্রতিটি বাঁক তার মনে কৌতূহল আর উত্তেজনা তৈরি করছিল।

বইটি ছিল এক সাধারণ মানুষের অসাধারণ সংগ্রামের গল্প। পড়তে পড়তে নীলয়ের মনে হলো, গল্পের চরিত্রটির সংগ্রাম যেন তার নিজের জীবনের প্রতিচ্ছবি। বইয়ের প্রতিটি অধ্যায় তাকে নতুন নতুন ভাবনা দিলো—কীভাবে জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়, কীভাবে আশার আলো খুঁজে পেতে হয়। নীলয় বুঝতে পারল, বই শুধু বিনোদনই নয়, এটি জীবনকে গভীরভাবে উপলব্ধি করার একটি মাধ্যম।

এরপর নীলয় অন্যান্য অনেক বিষয়ের বই পড়তে আগ্রহী হয়ে উঠল। সে দেখতে পেল, বই শুধু গল্প নয়, এটি জ্ঞানের এক অপার ভাণ্ডার। ইতিহাস, বিজ্ঞান, দর্শন—সব কিছু জানার এক অনন্য মাধ্যম। ভিডিওতে যা চোখের সামনে ঝটপট ভেসে ওঠে, বই সেই বিষয়ের গভীরে নিয়ে যায়।

পাঠ্য বইয়ের বাইরে গল্প, উপন্যাস আর কবিতা পড়তে গিয়ে নীলয় বুঝতে পারল, বই তার কল্পনার জগৎকে কতটা বিস্তৃত করছে। গল্পের চরিত্রদের চিন্তা, অনুভূতি এবং তাদের তৈরি করা দুনিয়া যেন নীলয়ের নিজের মনের ক্যানভাসে আঁকা হয়ে যাচ্ছিল।

নীলয় লক্ষ্য করল, বইয়ের মধ্যে শুধু তথ্য থাকে না, থাকে অনুভূতি। একটি উপন্যাস তাকে শিখিয়েছে দুঃখ থেকে শিক্ষা নিতে, একটি কবিতা তাকে আশার কথা বলেছে, আর একটি জীবনী তাকে প্রেরণা জুগিয়েছে।

নীলয়ের জীবনের গল্প আমাদের শেখায় যে বই শুধু তথ্যের উৎস নয়, এটি একান্ত অনুভূতির সঙ্গী, জ্ঞানের পথপ্রদর্শক এবং জীবনের শিক্ষক। ডিজিটাল যুগের চটজলদি বিনোদনের বাইরে বই হলো এমন এক মাধ্যম, যা ধীরে ধীরে আমাদের মন এবং চিন্তাধারাকে সমৃদ্ধ করে।

তাই নীলয়ের মতো আমাদেরও উচিত বইকে জীবনের অংশ করে তোলা। কারণ একটি ভালো বই আমাদের কল্পনাকে মুক্ত করে, চিন্তাকে গভীর করে এবং জীবনের মানে খুঁজে পেতে সাহায্য করে।

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download

নিজেকে স্মার্ট করার ১১ কৌশল

১) নিজের প্রতি আরো বেশি যত্নশীল হোন।
২) অন্যের ব্যাপারে নাক গলাবেন না।
৩) কারো ব্যাপারে অতি উৎসাহ বর্জন করুন।
৪) কাউকে ইচ্ছাকৃতভাবে প্রশংসা করার কোন প্রয়োজন নেই।
৫) যার তার সাথে সম্পর্ক স্থাপনে বিরত থাকুন।
৬) নিজেকে ব্যস্ত রাখুন।
৭) কারো কাছে নিজেকে সস্তা করবেন না।
৮) কাউকে অকারণে ফোন দেয়া কিংবা টেক্সট করবেন না।
৯) সামাজিক মাধ্যমে নিজেকে বেশি বেশি তুলে ধরা থেকে বিরত রাখুন।
১০) নিজের সম্পর্কে যত কম প্রকাশ করতে পারবেন রহস্য ততই বাড়বে।
১১) মুখে সর্বদা প্রবল হাসিখুশি একটা ভাব রাখা

আর্টিকেলটি ভালো লাগলে সাপোর্ট দিয়ে পাশে থাকবেন 🤭🤭
ধন্যবাদ

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download

দুই মাতাল

"দুটো পাগল মেন্টাল হাসপাতাল থেকে পালানোর প্ল্যান করলো"

 

১ম পাগলঃ আমরা সকাল সকাল মেইন গেটে গিয়ে পাহারাদার কে খুব করে মারবো, তারপর গেট খুলে পালিয়ে যাবো।

 

২য় পাগলঃ হ্যাঁ, এটাই ঠিক হবে।

 

পরেরদিন পাগল দুটো তাদের প্ল্যান মতো মেইন গেটে উপস্থিত হলো, কিন্তু গেটে কোনো পাহারাদার ছিল না, আর গেটও খোলা ছিল। পাহারাদার কে সেখানে দেখতে না পেয়ে নিরাশ হয়ে,

 

১ম পাগল বললঃ ইসসসসসস..... আমাদের প্ল্যানটাই ভেস্তে গেল। শালা পাহারাদারটা কোথায় মরতে গেছে কে জানে !!! আজ ও থাকলে আমরা পালিয়ে যেতে পারতাম..।

 

২য় পাগলঃ হুমমমমম.মেইনগেটও বন্ধ নেই যে, খুলে পালিয়ে যাবো। আজ ফিরে যাই চল, অন্যদিন আবার ট্রাই করবো।

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download

আমরা কারো কাছে ডালভাত, আবার কারো কাছে কাচ্চি

কিছু মানুষ তোমার মূল্য বুঝবে না,
তাদের কাছে তুমি শুধু “ডালভাত”— সহজ, সাধারণ, গুরুত্বহীন। 🍛

আর কিছু মানুষ তোমাকে দেখবে “কাচ্চি বিরিয়ানি”-র মতো —
যার স্বাদ, গভীরতা, আর মান আলাদা! 🍖✨

তাই সবার কাছে নিজের দাম বোঝাতে যেও না,
যে বুঝবে — সে চুপ করেও তোমার মূল্য বুঝে নেবে। 💎

নিজের দাম নিজে জানো, কারণ সবার চোখ তোমার মতো পরিষ্কার না। 💭

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download

ইগনোর করলে জীবন সুন্দর 🥰

আপনাকে জীবনে অনেক মানুষ অনেক রকম বড় বড় স্কিল শিখতে বলবে। আমি একটা ছোট্ট স্কিল শিখতে বলি। এই স্কিলটার নাম হচ্ছে 'পাত্তা না দেয়া'। সুন্দর করে বলতে গেলে বলে 'ইগনোর' করা। ধরুন কেউ আপনার লিঙ্গ, বর্ণ, বিশ্বাস বা যেকোনো কিছু নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করল। ধরুন, ৪-৫ মিনিট ধরে কেউ টানা লেকচার দিল কেন তার কথা যৌক্তিক এবং আপনারটা ভুল। ধরুন, কেউ আপনাকে ইনিয়ে বিনিয়ে বা সরাসরি পচানোর চেষ্টা করছে। চেষ্টা করছে অযথা অযৌক্তিক তর্কে জড়ানোর। আপনি কী করবেন? উত্তর হচ্ছে কিছুই না। একদম পাত্তাই দিবেন না।
দুনিয়ার সবাইকে, সবকিছুকে গোণায় ধরতে হয় না। আজাইরা মানুষ, আজাইরা মন্তব্য সবকিছুকে এড়িয়ে গিয়ে কেবল নিজের কাজে ফোকাস করতে হবে। একটা বাক্য দূরে থাক, একটা শব্দ উচ্চারণ করেও সময় নষ্ট করার দরকার নাই।
পাত্তা না দেয়া একটা আর্ট। 'পারফেক্ট' হওয়ার দরকার নাই; মাঝারি মানের আর্টিস্ট হতে পারলেই জীবন অনেক ঝামেলামুক্ত হয়ে যাবে।

 
আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download

Fake হাসির পেছনের মানসিক দানব 😬

তুমি কি কখনও লক্ষ্য করেছো — কেউ হাসছে, কিন্তু সেই হাসির পেছনে একটা অদ্ভুত শূন্যতা লুকানো থাকে?

হ্যাঁ, এটাই সেই Fake Smile — যেখানে ঠোঁট হাসে, কিন্তু চোখ নিঃশব্দে কাঁদে। 😶‍🌫️

মানুষের মস্তিষ্ক এমনভাবে কাজ করে যে, যখন তুমি সত্যিকারের দুঃখ লুকাও, শরীর তখনও সত্যটা জানায়। মনোবিজ্ঞান বলে — এই ভুয়া হাসির পেছনে কাজ করে এক অদৃশ্য মানসিক দানব।

💀 ১. Masking Mechanism
মানুষ যখন নিজের কষ্ট প্রকাশ করতে পারে না, তখন হাসিকে ঢাল বানায়। সমাজের বিচার, প্রত্যাখ্যান বা দুর্বল দেখানোর ভয় — তাকে মিথ্যা হাসি পরতে বাধ্য করে।

🎭 ২. Psychological Exhaustion
যারা সব সময় হাসতে বাধ্য হয়, তারা ধীরে ধীরে ভিতর থেকে ফাঁপা হয়ে যায়। তাদের হাসি শুধু অন্যদের স্বস্তি দেয়, নিজের নয়।

🧠 ৩. Emotional Suppression
প্রতিদিন নিজের আবেগ চেপে রাখলে মন ধীরে ধীরে ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তখন ভেতরের কষ্ট একসময় রাগ, সন্দেহ বা বিষণ্নতায় পরিণত হয়।

📖 ইসলাম বলেছে — “অবশ্যই অন্তরেই রয়েছে শান্তি ও অশান্তির মূল।” (সূরা আশ-শামস)

সুতরাং, যারা সব সময় “ঠিক আছি” বলে হাসে, তাদের অনেক সময় ভিতরে একটা যুদ্ধ চলে।

🤍 কখনও কখনও একটিমাত্র প্রশ্ন — “তুমি সত্যিই কেমন আছো?” — কারও ভিতরের দানবটাকে দুর্বল করে দিতে পারে।

মিথ্যা হাসির আড়াল ভেদ করে দেখতে শেখো। কারণ অনেক সময় সবচেয়ে কষ্টের মানুষটাই সবচেয়ে জোরে হাসে। 💔

Fake হাসির পেছনে যে দানবটা আছে, সে হলো ভয় — মানুষ নিজের সত্যকে লুকাতে চায়। কিন্তু মুক্তি শুরু হয় তখনই, যখন তুমি মুখোশ খুলে নিজের কষ্টকে মেনে নিতে শেখো। 🌿

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download

আত্মসম্মান মানুষের চরিত্রের মেরুদণ্ড।

এটি সেই নীরব শক্তি, যা মানুষকে সৎ, দৃঢ় ও মর্যাদাবান করে তোলে। আত্মসম্মান হারিয়ে ফেললে ব্যক্তি তার মূল্যবোধ, চিন্তা ও ব্যক্তিত্ব—সবই হারায়। সমাজে টিকে থাকতে, নিজের সিদ্ধান্তে স্থির থাকতে এবং অন্যের সম্মান অর্জন করতে হলে প্রথমে নিজেকে সম্মান করতে জানতে হয়। আত্মসম্মান রক্ষা মানে নিজের প্রতি দায়িত্বশীল থাকা, নিজের নীতি ও মর্যাদার সীমা না ভোলা। নিচে নিজের মতো করে আত্মসম্মান রক্ষা বা বাড়ানোর ১৫টি কার্যকর উপায় তুলে ধরলাম...

১. নিজের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হোন :
নিজেকে ছোট মনে করবেন না। আপনি যেমন, তেমনভাবেই নিজেকে গ্রহণ করুন। নিজের গুণ ও সীমাবদ্ধতা—দুটোকেই সম্মান দিন।

২. ‘না’ বলতে শিখুন :
সবকিছুতেই সম্মতি দেওয়া আত্মসম্মানের ক্ষতি করে। অন্যায় বা অপমানজনক প্রস্তাবের সামনে দৃঢ়ভাবে ‘না’ বলতে পারা আত্মসম্মানের অন্যতম রূপ।

৩. নিজের মতামতকে গুরুত্ব দিন :
অন্যরা কী ভাবছে তা ভেবে নিজের মতকে চাপা দেবেন না। আত্মসম্মান রক্ষার প্রথম শর্ত হলো নিজের চিন্তার প্রতি আস্থা রাখা।

৪. অন্যের কাছে নিজেকে প্রমাণ করতে যাবেন না :
নিজেকে সবসময় সঠিক প্রমাণ করতে গিয়ে ক্লান্ত হবেন না। যারা সত্যিকার অর্থে আপনাকে বোঝে, তাদের কাছে প্রমাণের প্রয়োজন পড়ে না।

৫. নিজের ভুল স্বীকার করুন :
ভুল করলে তা স্বীকার করা দুর্বলতা নয়, বরং আত্মসম্মানের প্রতীক। নিজের ভুল জানা মানুষই সত্যিকার সম্মান পায়।

৬. অপমানকে কখনো সহ্য করবেন না :
যেখানে আপনাকে অবমাননা করা হয়, সেখান থেকে দূরে সরে আসুন। অপমানের সাথে আপস করা মানে নিজের মর্যাদা হারানো।

৭. আত্মবিশ্বাসী থাকুন :
আত্মসম্মান আসে আত্মবিশ্বাস থেকে। নিজের সিদ্ধান্ত ও কাজের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস রাখুন, তাহলেই আপনি সম্মান রক্ষা করতে পারবেন।

৮. অন্যকে সম্মান দিন :
অন্যকে অসম্মান করে কেউ নিজের মর্যাদা বাড়াতে পারে না। সম্মান পেতে হলে আগে দিতে জানতে হয়।

৯. নিজের সীমারেখা নির্ধারণ করুন :
মানুষকে কতটা কাছে টানবেন বা দূরে রাখবেন, সেটি আপনিই ঠিক করুন। এই সীমারেখাই আত্মসম্মানের রক্ষাকবচ।

১০. কারও উপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হবেন না :
অতিরিক্ত নির্ভরতা আত্মসম্মানকে দুর্বল করে। নিজে নিজের কাজ করার চেষ্টা করুন, আত্মনির্ভর হোন।

১১. সত্য কথা বলুন, মিথ্যার আশ্রয় নেবেন না :
মিথ্যা একদিন প্রকাশ পায়, আর তখন আত্মসম্মান ভেঙে পড়ে। সত্যকে আঁকড়ে ধরা মানুষই মর্যাদা ধরে রাখতে পারে।

১২. অন্যের সঙ্গে তুলনা করবেন না :
নিজেকে অন্যের সঙ্গে তুলনা করা আত্মসম্মান নষ্ট করে। আপনি অনন্য—এই বিশ্বাসটিই আপনাকে শক্ত রাখবে।

১৩. লোভ ও প্রতারণা থেকে দূরে থাকুন :
লোভ মানুষকে নিচে নামায়। সততা আত্মসম্মানের সবচেয়ে বড় ভিত্তি। তাই প্রলোভনে নয়, ন্যায়ের পথে চলুন।

১৪. নিজের আবেগের নিয়ন্ত্রণ রাখুন :
অতিরিক্ত রাগ, হিংসা বা হীনমন্যতা আত্মসম্মান ক্ষয় করে। সংযমী মনই আত্মসম্মানকে টিকিয়ে রাখে।

১৫. নিজের উন্নতির জন্য চেষ্টা করুন :
আত্মসম্মান মানে স্থবির থাকা নয়। প্রতিনিয়ত শেখা, বেড়ে ওঠা, নিজের যোগ্যতা বাড়ানোই আত্মসম্মানের প্রকৃত বিকাশ।

আত্মসম্মান কোনো বাহ্যিক বস্তু নয়, এটি এক অভ্যন্তরীণ শক্তি—যা মানুষকে মাথা উঁচু করে বাঁচতে শেখায়। অর্থ, খ্যাতি বা সৌন্দর্যের চেয়ে আত্মসম্মান অনেক মূল্যবান। যে ব্যক্তি নিজের মর্যাদা বোঝে, সে কখনো অন্যের দ্বারা অপমানিত হয় না। তাই সমাজে সম্মান পেতে হলে আগে নিজের আত্মসম্মান রক্ষা করতে শিখতে হবে—কারণ যে নিজেকে সম্মান করতে জানে, পৃথিবীও তাকে সম্মান দিতে বাধ্য হয়।

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)

🎉 ৫টা সায়েন্টিফিক ও ইসলামিক টিপস সবার কাছে প্রিয় হওয়ার 🎉

তুমি কি কখনও খেয়াল করেছো — কিছু মানুষ যেখানেই যায়, সবাই তাদের ভালোবাসে, সম্মান দেয়, কথা শুনতে চায়?
তারা হয়তো খুব ধনী না, খুব সুন্দরও না, কিন্তু তাদের ভেতর একরকম চুম্বকীয় আকর্ষণ (magnetic personality) কাজ করে 😌

তারা এমন কিছু গুণ ধারণ করে যা মানুষকে টানে —
👉 বিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান, ইসলাম ও জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা — সব মিলিয়ে নিচে সেই ৫টা টিপস জানো, যা সত্যিই তোমাকে সবার কাছে প্রিয় করে তুলবে 💖

😊 1.নাম ধরে ডাকো — নামের মধ্যে আছে যাদু

Prophet Muhammad (ﷺ) মানুষকে নাম ধরে ডাকতেন।
একটা নাম শুধু পরিচয় নয়, এটা একধরনের ভালোবাসা ও সম্মানের প্রকাশ।
👉 গবেষণায় দেখা গেছে, নিজের নাম শুনলে মানুষের মস্তিষ্কে positive chemical dopamine রিলিজ হয়।

তাই, নাম ভুলে যেও না —
নাম ধরে ডাকা মানে কাউকে “seen” করে ফেলা নয়, বরং “valued” করে ফেলা 🌸

💬 2. মানুষকে মন থেকে শুনো (Active Listening)

বেশিরভাগ মানুষ “শোনে উত্তর দেওয়ার জন্য”, বোঝার জন্য না।
কিন্তু তুমি যদি মন থেকে শোনো, মানুষ অনুভব করে —
“এই মানুষটা আমাকে বোঝে!” ❤️

মনোবিজ্ঞানে একে বলে Validation Effect —
যে জায়গায় মানুষ বোঝা বোধ করে, সে জায়গাতেই সে নিরাপদ অনুভব করে।
তাই কম বলো, বেশি শোনো।
শোনা মানে কেবল কানে শোনা নয়, হৃদয়ে বোঝা।

🤝 3. সবার সাথে সম্মান দেখাও, ছোট-বড় ভেদ না করে

প্রাচীন দার্শনিক Aristotle বলেছিলেন —

“Respect is earned by giving it first.”

ইসলামও বলে —

“যে ছোটদের প্রতি দয়া করে না, আর বড়দের সম্মান করে না, সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।” (হাদিস - তিরমিজি)

রিকশাওয়ালা থেকে শুরু করে CEO পর্যন্ত —
যে মানুষ সবার প্রতি একই সম্মান রাখে,
সেই মানুষ সমাজে সত্যিকারের বড় হয়ে ওঠে 


🌸 ৪. হাসিখুশি থাকো — Smile is a social glue

গবেষণায় দেখা গেছে, হাসি হলো সামাজিক গ্লু (social glue) —
এটা অপরিচিত মানুষকেও তোমার প্রতি নিরাপত্তাবোধ তৈরি করে।
একটা সহজ হাসি, এক কাপ কফির থেকেও বেশি প্রভাব ফেলতে পারে 

💖 ৫. অন্যের ভালো চাও — নিঃস্বার্থভাবে

মানুষকে ভালোবাসো, কিন্তু বিনিময়ে কিছু আশা করো না।
তুমি যদি সত্যিই অন্যের ভালো চাও,
মানুষ সেটা বুঝে ফেলে 
কারণ ভালোবাসা অভিনয় করে দেখানো যায় না, সেটা অনুভব করানো যায়।

ইসলাম বলে —

“তোমার ভাইয়ের জন্য সেই জিনিস ভালোবাসো, যা তুমি নিজের জন্য ভালোবাসো।” (সহিহ হাদিস)

এই mindset রাখলে তুমি শুধু প্রিয় না,
বিশ্বস্ত ও অনুপ্রেরণাদায়ক মানুষ হিসেবেও পরিচিত হবে 

 

তুমি যদি মানুষকে সত্যিকারের ভালোবাসা, সম্মান আর হাসি উপহার দিতে পারো 
তবে একদিন তোমার উপস্থিতিই মানুষের জন্য শান্তির কারণ হবে ❤️


জীবনের বাস্তবতা, মনোবিজ্ঞান ও আধ্যাত্মিকতা মিশিয়ে শেখা – নতুনভাবে বাঁচার অনুপ্রেরণা।

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download

নিজেকে শক্তিশালী করার ১০ টি নিয়ম

1. আপনার কাছে যত বেশি তথ্য থাকবে আপনি তত বেশি শক্তিশালী।


2. আপনার কাছে যত বেশি অন্যের গোপন ইনফর্মেশন থাকবে আপনি তত বেশি শক্তিশালী।


3. পৃথিবীর একটি অন্যতম শক্তিশালী দিক হচ্ছে মানুষকে কনভিন্স করা।মানুষকে কনভিন্স করতে পারার মতো শক্তি পৃথিবীতে খুবই বিরল।


4. অন্যের মন জয় করা- একটি অন্যতম বিরল প্রকৃতির শক্তি।কাজেই অন্যের মন জয় করার শক্তি অর্জন করুন।


5. আত্মনির্ভরশীল হওয়া- নিজেকে সবল এবং শক্তিশালী করার জন্য খুবই প্রয়োজন।


6. সামাজিক নেটওয়ার্কিং এবং সাংগঠনিক দক্ষতা এক্ষেত্রে খুবই প্রয়োজন।


7. নিজেকে অত্যন্ত সবল এবং শক্তিশালী করতে হলে আপনাকে একজন সুবক্তা হতে হবে।একজন দক্ষ বক্তা যে কোন পরিস্থিতি বদলে দিতে পারে।


8. নিজের শক্তিশালী এবং দুর্বল দিক সম্পর্কে একটি পূর্ণাঙ্গ ধারণা থাকতে হবে।


9. নিজেকে জানুন। আপনি যা চিন্তা করবেন মনে মনে তাই হয়ে উঠবেন, নিজের সম্পর্কে ভালো ধারণা করুন। 


10. নিজের সম্পর্কে যত কম প্রকাশ করবেন,ততই নিজেকে শক্তিশালী এবং সবল হিসেবে উপস্থাপন করতে পারবেন।


লেখাগুলো ভালো লাগলে সাপোর্ট দিয়ে পাশে থাকবেন 🤭🤭

 

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download

মানুষ আপনাকে সেভাবেই দেখে- যেভাবে আপনি নিজেকে উপস্থাপন করেন।

আপনার চারপাশের মানুষ আপনাকে সেভাবেই দেখে —
যেভাবে আপনি নিজেকে উপস্থাপন করেন।

যদি আপনি নিজেকে দুর্বল ভাবেন,
মানুষও আপনাকে অবহেলা করবে। 😔

আর যদি আপনি আত্মবিশ্বাসে ভরপুর হন,
তারা আপনাকে গুরুত্ব দেবে, সম্মান দেবে। 💪✨

আপনার পোশাক, কথাবার্তা, হাঁটা, আচরণ —
সব কিছুই আপনার “নিজস্ব ব্র্যান্ড” তৈরি করে।

 মনে রাখুন, পৃথিবী আপনাকে সেভাবেই দেখে যেভাবে আপনি নিজেকে দেখান।

নিজেকে উপস্থাপন করুন এমনভাবে —
যাতে আপনি চুপ থাকলেও  আপনার শক্তি বোঝা যায়। 

আরও পড়ুন... Post Image
Comment(0)
Listen
Download